ঢাকা, সোমবার, জুন ২৬, ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম 

খেলাধুলার সংবাদ : ঈদ উদযাপনের জন্য সাতক্ষীরায় মুস্তাফিজ * কুম্বলে নিজেই সরে গিয়েছে : গাঙ্গুলী   |   প্রধানমন্ত্রী : প্রধানমন্ত্রী কাল গণভবনে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন * ঈদ শান্তি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের অনুপম শিক্ষা দেয় : প্রধানমন্ত্রী   |   রাষ্ট্রপতি : ইসলাম সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ সমর্থন করে না : রাষ্ট্রপতি   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : সৌদি আরবকে দুটো দ্বীপ দেয়া নিয়ে উত্তাল মিসর * ব্রিটেনে ঈদের নামাজিদের ওপর গাড়ি, আহত ৬   |    জাতীয় সংবাদ : কাল পবিত্র ঈদুল ফিতর * মক্কায় সন্ত্রাসী হামলা চেষ্টায় ঢাকার নিন্দা * প্রধানমন্ত্রী মায়ের মতো দেশের মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন : ভূমিমন্ত্রী * জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ঈদের জামাত হবে   |    বিভাগীয় সংবাদ : নীলফামারীতে ৪ লাখ পরিবারের মাঝে ভিজিএফ বিতরণ *চাঁদপুরে ৪০ গ্রামে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর *শরীয়তপুরের ৩০ গ্রামে আজ ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হচ্ছে*   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : পাকিস্তানে তেলবাহী ট্যাংকারে অগ্নিকান্ডে ১২৩ জনের মৃত্যু * কলম্বিয়ায় খনিতে বিস্ফোরণে ৮ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৫ * জাপানের মধ্যাঞ্চলে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প * মেক্সিকোয় সহিংসতায় ৩ পুলিশসহ নিহত ৯ * ইন্দোনেশিয়ায় আইএস জঙ্গি হামলায় পুলিশ কর্মকর্তা নিহত *    |   

খাগড়াছড়িতে পাহাড় ধসে নিহত ৩, আহত ১

খাগড়াছড়ি, ১৮ জুন, ২০১৭ (বাসস) : জেলার রামগড় উপজেলার পাতাছড়া বুদংছড়া এলাকায় বসতবাড়ির ওপর পাহাড় ধসে ঘুমন্ত অবস্থায় দুই সহোদরসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ ভোর সাড়ে ৬ টায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন বুদংপাড়ার মো: মোস্তফার ছেলে নুরনবী (১৪) ও হোসেন (১০) এবং বিল্লাল হোসেন নামে একজন আহত হয়েছে।
পারিবারিক ও স্থানীয়সূত্র জানায়, ভোর রাতে প্রবল বর্ষণের সময় বাড়ির পূর্ব পাশের পাহাড় ধসে মাটিচাপা পড়ে ঘুমন্তাবস্থায় দুই সহোদরের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা নিহতদের লাশ উদ্ধার করে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে তাৎক্ষণিক ২০ হাজার টাকা সাহায্য দেয়া হয়েছে।
রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরিফুল ইসলাম নিহতদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে, রোববার সকাল ৮ টায় লক্ষ্মীছড়ির যতীন্দ্র কার্বারী পাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে নিপুন চাকমা (৫) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। সে একই এলাকার দেবব্রত চাকমার মেয়ে।
এদিকে খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো: রাশেদুল ইসলাম জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের সরিয়ে আনতে জেলা সদর, মহালছড়ি, মানিকছড়ি ও রামগড়ে ৫টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। মাইকিং করে ও উপজেলা প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ বসতবাড়ি সনাক্ত করে তাদের উদ্বুদ্ধ করে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৮০টির মতো পরিবার আশ্রয় কেন্দ্রে রয়েছে। তাদের খাবার, বিশুদ্ধ খাবার পানি ও নিরাপত্তার জন্য আশ্রয়কেন্দ্র গুলোতে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।
এবছর পাহাড় ধস ও প্রবল বর্ষণ অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙ্গেছে উল্লেখ করে তিনি ভূ-তাত্ত্বিকদের সমন্বয়ে পাহাড়ের প্রকৃতিগত বৈশিষ্ট্য জরিপ করে নীতিমালা প্রণয়নের প্রস্তাব দেন।