ঢাকা, মঙ্গলবার, জানুয়ারী ১৬, ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম 

জাতীয় সংবাদ : ঝড়-বৃষ্টির মৌসুমে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ৫ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শিশু : ইউনিসেফ   |   জাতীয় সংসদ : শিগগিরই তিস্তা নদীর পানি বন্টন চুক্তি সম্পাদন : পানি সম্পদ মন্ত্রী * বিচারাধীন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে : আইনমন্ত্রী * সরকারি শূন্য পদ দ্রুত পূরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে : জন প্রশাসন মন্ত্রী   |   প্রধানমন্ত্রী : একনেকে ১৪ প্রকল্প অনুমোদন : তিন হাজার বিদ্যালয়ে একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে * আবুল খায়েরের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক   |   বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি : ঢাকা শহরের ছাদ ব্যবহার করে ১ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব : নসরুল হামিদ   |    অর্থনীতি : নওগাঁয় রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ৬ মাসে ৯২ কোটি ৩০ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ    |    জাতীয় সংবাদ : ২ বছরের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন সম্পন্নে রূপরেখা চূড়ান্ত * ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা : আরো দুই আসামীর পক্ষে যুক্তিতর্ক পেশ * পীরগঞ্জের শীতার্তদের জন্য কম্বল হস্তান্তর করেছেন স্পিকার * জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা আগামীকাল   |   খেলাধুলার সংবাদ : পুলিশ বর্ষসেরা খেলোয়াড় দ্বীন ইসলাম, লতা পারভীন ও আকলিমা *মাঠে খারাপ আচরণের জন্য কোহলিকে জরিমানা   |   শিক্ষা : বাংলাদেশের জন্মের পেছনে ঢাবির অবদান রয়েছে : ঢাবি উপাচার্য   |    বিভাগীয় সংবাদ : জয়পুরহাটে বোরো ধানের চারা রক্ষা করতে পলিথিনে ঢেকে রাখার পরামর্শ * নীলফামারীতে কৃষক নেমেছে বোরো আবাদের মাঠে : লক্ষ্যমাত্রা ৮৪ হাজার হেক্টর জমি   |   আবহাওয়া : আগামীকাল থেকে দক্ষিণাঞ্চলের শৈতপ্রবাহ কেটে যেতে পারে   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : ট্রানজিট বিষয়ে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর * আফগানিস্তানে আইএসের ২১ যোদ্ধা নিহত * জাপানের জলসীমায় ভেসে আসা নৌকা থেকে ৮ জনের লাশ উদ্ধার * লিবিয়ার পশ্চিম উপকূল থেকে অবৈধ ৩৬০ শরণার্থী উদ্ধার   |   

পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হচ্ছে ২০১৯ সালে

বরগুনা, ৩ জানুয়ারি, ২০১৮ (বাসস) : গত এক বছরের বেশি সময় ধরে দক্ষিণাঞ্চলে বিদ্যুতের লোডশেডিং খুব কম হচ্ছে। কোন সমস্যা বা দুর্ঘটনা না ঘটলে বিদ্যুৎজনিত ভোগান্তি মানুষের নেই বললেই চলে। বিদ্যুতের জাতীয় গ্রীড লাইনের বরিশাল স্টেশনের পর সমস্যা দেখা দিলেও ভোলার বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে পটুয়াখালী ও বরগুনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে সাময়িক সমস্যা মেটানো হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিষয়ে স্থানীয় মানুষের অভিযোগ-অনুযোগের হার নিম্নমুখী। এ অঞ্চলে এখন নতুন আশার আলো পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। দেশের সবচেয়ে বড় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। বাংলাদেশ-চীন পাওয়ার কোম্পানির এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু হচ্ছে ২০১৯ সালে। পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো চালু হলে লোড শেডিং কি তা দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ ভুলে যাবে বলে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা মনে করছেন।
নির্মিয়মান পরিচ্ছন্ন কয়লা প্রযুক্তি সম্পন্ন পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ঘিরে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার পায়রায় ব্যাপক কর্মচাঞ্চল্য চলছে। সরকার এখানে কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য এক হাজার একর জমির উন্নয়ন করছে। এর মধ্যে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পটির কাজ ৩০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। কেন্দ্র থেকে বরগুনার আমতলী হয়ে পটুয়াখালী জেলা ছাড়িয়ে বিদ্যুতের খুঁটি ও সঞ্চালন তার সংযুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ-চীন পাওয়ার কোম্পানি এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ২০১৯ সালের এপ্রিলে কয়লাভিত্তিক এ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে।
বিদ্যুৎ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান সূত্র সমূহ জানিয়েছে, এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের এ প্রকল্পে প্রায় ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার খরচ হবে। নয় হাজার মেগাওয়াটের যেটি করতে যাচ্ছে সরকার, সেই হিসেবে মোট বিনিয়োগ হবে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরিচালিত হবে ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া থেকে আমদানি করা কয়লার মাধ্যমে। সে জন্য পায়রায় নির্মাণ করা হচ্ছে বড় কোল-ইয়ার্ড। আমদানি করা কয়লা সরাসরি পায়রা সমুদ্রবন্দর হয়ে এই কোল-ইয়ার্ডে আসবে। কয়লাভিত্তিক হওয়ায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরিবেশবান্ধব করার পরিকল্পনা সরকারের। বাংলাদেশের সর্বাধুনিক পাওয়ার প্ল্যান্ট এখানে স্থাপিত হচ্ছে। আলট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল প্ল্যান করা হচ্ছে। শকস অ্যান্ড নকসকে কন্ট্রোল করার জন্য ডি সালফারাইজেশন প্ল্যান বসানো হচ্ছে। কয়লা যেন ছড়িয়ে না যায়, সে ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে। পায়রা বন্দরসংলগ্ন এ এক হাজার একর জমিতে পরে আরো একটি এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক, তিন হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের এলএনজিভিত্তিক এবং সৌর ও বায়ুভিত্তিক বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে সরকার।
পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের প্রকৌশলী মো. জামাল উদ্দিন বিশ্বাস জানান, ২০১৮ সালের মধ্যে সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি ঘরে বিদ্যুত পৌঁছে দেবার কাজ চলছে। তাপ বিদ্যুত কেন্দ্র চালু হলে পুরো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে লোড শেডিং এর সিস্টেমই থাকবে না। মানুষ নিরবিছিন্ন বিদ্যুত সেবা পাবে।