ঢাকা, বুধবার, ফেব্রুয়ারী ২১, ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম 

জাতীয় সংবাদ : একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন   |   প্রধানমন্ত্রী : রোহিঙ্গা সংকট অবসানে প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারের ওপর ভারতের চাপ প্রয়োগ কামনা করেছেন   |    জাতীয় সংবাদ : স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য ১৬ জন মনোনীত * ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় আসামী পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন অব্যাহত * রাজধানীসহ সারাদেশে র‌্যাবের নিরাপত্তা জোরদার   |   রাষ্ট্রপতি : পিএসসির প্রতি জনগণের আস্থা অর্জনে কাজ করতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান * দুটি বিলে রাষ্ট্রপতির সম্মতি * ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় অমর একুশের চেতনা অনুপ্রেরণার অবিরাম উৎস : রাষ্ট্রপতি   |   বিনোদন ও শিল্পকলা : ওবায়দুল কাদেরের বই মাটি ও মানুষের কথা মেলায় এসেছে *সাহিত্য, প্রকাশনা ও পাঠক সৃষ্টিতে অমর একুশে গ্রন্থমেলার অবদান অনন্য : লেখকবৃন্দ   |    জাতীয় সংবাদ : আদালতের রায়ে নির্বাচনের যোগ্যতা হারালে কিছুই করার নেই : ওবায়দুল কাদের * কাল মহান একুশে ফেব্রুয়ারি * গৌরীপুরে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত * বঙ্গবন্ধু যেভাবে সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালুর পরিকল্পনা করেছিলেন   |   খেলাধুলার সংবাদ : আইসিসি ওয়ানডে বোলিং র‌্যাংকিংয়ে যৌথভাবে শীর্ষে রশিদ-বুমরাহ *ফিলিস্তিনে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি *রশীদ খানের বোলিংয়ে আবারো জিম্বাবুয়েকে হারিয়েছে আফগানিস্তান   |   প্রধানমন্ত্রী : ২১ বিশিষ্ট নাগরিককে প্রধানমন্ত্রীর একুশে পদক প্রদান * আমাদের ঐতিহ্য-সংস্কৃতিকে যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী * একুশের চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে ধারণ করে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী   |   আবহাওয়া : রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে   |    বিভাগীয় সংবাদ : চুয়াডাঙ্গা সাহিত্য সম্মাননা পদক পাচ্ছেন ইবি শিক্ষক ড. রবিউল *বিজয় সরকারের ১১৬তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী উৎসব শুরু   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : জেরুজালেম প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাতে জাতিসংঘে যাচ্ছেন ফিলিস্তিনি নেতা * ফিলিপাইনে ডায়রিয়ায় ১০ জনের মৃত্যু * সিরিয়ায় বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বিমান হামলা : ১শ বেসামরিক নাগরিক নিহত   |   

আমদানি-রফতানি পণ্য খালাসে মার্চে চালু হচ্ছে এইও পদ্ধতি

ঢাকা, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ (বাসস) : স্বল্প সময়ে ও কম খরচে আমদানি-রফতানি পণ্য খালাসে বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা প্রদানের জন্য অথারাইজড ইকোনমিক অপারেটর (এইও) পদ্ধতি আগামী মার্চ মাস থেকে চালু করতে যাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
এইও পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে দুটি ওযুধ কোম্পানিকে (ইকোনমিক অপারেটর) এই সুবিধা দেয়া হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য খাতের শিল্প-প্রতিষ্ঠানের জন্যও এই সুবিধা দেয়া হবে।
এ বিষয়ে এনবিআরের এইও কমিটির প্রধান ও ঢাকা কাস্টমস হাউজের কমিশনার প্রকাশ দেওয়ান বলেন, আমদানি-রফতানিসহ বাণিজ্যিক কার্যক্রমে যেসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অতীত রেকর্ড ভালো, মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আনা ও শুল্ক ফাঁকিসহ অন্য কোনো অভিযোগ নেই এবং আর্থিক ও কারিগরিভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ ইকোনমিক অপারেটরকে এইও হিসেবে গন্য করা হবে।
তিনি জানান,এইও পদ্ধতি চালু করার জন্য শীঘ্রই ওযুধ কোম্পানিগুলোর কাছে আবেদন চেয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে। আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে থেকে বিশ্ব কাস্টমস সংস্থার (ডব্লিউসিও) নির্ধারিত মান ও শর্ত পূরণে সক্ষম এমন প্রতিষ্ঠানকে এইও ঘোষণা করা হবে।
আগামী মাসে অন্তত দুটি প্রতিষ্ঠানকে এইও হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রকাশ দেওয়ান বলেন,এইও হিসেবে স্বীকৃতি পেতে ইতোমধ্যে দুটি ওষুধ কোম্পানি স্কয়ার ও বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যালস আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এই দুই প্রতিষ্ঠান এইওর স্বীকৃতি পেতে পারে বলে তিনি জানান।
প্রসঙ্গত,এইও ঘোষিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আমদানি-রফতানি কার্যক্রমে বন্দর থেকে দ্রুত ও অপেক্ষাকৃত কম পরীক্ষায় পণ্য খালাসের সুবিধা পেয়ে থাকে। এছাড়া এসব প্রতিষ্ঠান ব্যাংক গ্যারান্টির বাধ্যবাধকতায় নমনীয়তা ও বাকিতে কার্যক্রম সম্পন্ন করার মতো সুবিধাও পাবে।
এইও পদ্ধতি চালু করার লক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগি সংস্থার (ইউএসএইড) আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এনবিআর বর্তমানে এইও পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
প্রকাশ দেওয়ান বলেন,এইও ঘোষিত প্রতিষ্ঠান দেশে পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে যেমন সুবিধা পাবে-তেমনি অন্য দেশেও পণ্য খালাসে সবিধা পাবে। এতে তার জন্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ী হবে।
তিনি জানান,ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা করাই এইও পদ্ধতির মূল লক্ষ্য। দেশের ব্যবসাখাতের ব্যাপ্তি প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাওয়ায় কাস্টমকেও এই ক্রমবর্ধমান ব্যবসা-বাণিজ্যের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হচ্ছে। কাস্টমস্ আধুনিকায়নে কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এইও পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে।
যেসব প্রতিষ্ঠান এইও হিসেবে ঘোষিত হবে,তাদের ব্যবসায়িক ব্র্যান্ডিংও বাড়বে বলে মনে করছে এনবিআর। কেননা, এর মাধ্যমে ওইসব প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে যে,তারা নীতিমালা মেনে ব্যবসা করছেন। কর ফাঁকি দিচ্ছেন না, যা দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীমহলে তাদের বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে।