ঢাকা, শুক্রুবার, ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম 

রাষ্ট্রপতি : রোহিঙ্গাদের ফেরাতে সিঙ্গাপুরের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি   |    জাতীয় সংবাদ : বিএনপি বিপর্যয়ের মুখে অপ্রাসঙ্গিক কথাবার্তা বলছে : হানিফ * সরকারের ভিত কারো কথায় নড়ে না : ইনু * ময়মনসিংহে বাস খাদে পড়ে ৪ জনের প্রাণহানি, আহত ২০   |   আবহাওয়া : সারাদেশে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে   |   খেলাধুলার সংবাদ : আইসিসির অনুমোদন পেল কানাডার টি-২০ লীগ * কেনিয়া ক্রিকেট দলের অধিনায়ক, কোচ ও বোর্ড সভাপতির পদত্যাগ   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : পদত্যাগ করছেন অস্ট্রেলিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী * আর্জেন্টিনার রুশ দূতাবাস থেকে ৪০০ কিলো কোকেন উদ্ধার * মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রস্তাব প্রায় প্রস্তুত : জাতিসংঘে মার্কিন দূত   |   

পিকেএসএফ উদ্যোক্তাদের জন্য পণ্য প্রদর্শনী ও বিক্রয়কেন্দ্র হচ্ছে

ঢাকা, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ (বাসস) : পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী প্রান্তিক পর্যায়ের উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্যের প্রচার ও বাজারজাতকরণের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রদর্শনী ও বিক্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। এখানে উদ্যোক্তারা বিনামূল্যে তাদের পণ্যসামগ্রী বাজারজাতকরণের সুযোগ পাবেন। এ লক্ষ্যে সংস্থাটি রাজধানীর শ্যামলীতে পিকেএসএফ প্রদর্শনী ও বিক্রয় ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে।
এই ভবন নির্মাণের জন্য সম্প্রতি পিকেএসএফ বেসরকারি ডেভলপার কোম্পানি কনকর্ড ইঞ্জিনিয়ার্স এন্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তি অনুযায়ী পিকেএসএফের নিজস্ব জমিতে ১৩তলা ভবন নির্মাণ করা হবে। আধুনিক বিপনীবিতানের সকল সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ১৩তলা ভবনের ৯টি তলা প্রান্তিক উৎপাদকের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হবে।
এ বিষয়ে পিকেএসএফ উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জসীম উদ্দিন বাসসকে বলেন, বর্তমানে পিকেএসএফ সহায়তাপুষ্ট বা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী ১৫ লাখ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা রয়েছেন, যারা অন্তত ৫ থেকে ৭ লাখ টাকার পুঁজি নিয়ে ব্যবসা বা ক্ষুদ্র পর্যায়ের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করছেন। এসব উদ্যোক্তারা বাজারতথ্যের অভাব এবং বাজারজাতকরণের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ায় উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যা মূল্য পাচ্ছেন না। আমরা তাদের বাজারতথ্য প্রদানের পাশাপাশি বাজারজাতকরণের সুযোগ সৃষ্টি করতে চাই। এ লক্ষ্যে পণ্য প্রদর্শনী ও বিক্রয়কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ের উদ্যোক্তাদের পর্যাপ্ত বাজারতথ্য এবং বাজারজাতকরণের সুযোগ দেয়া গেলে তারা মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদনে অনুপ্রাণিত হবেন। এতে উদ্যোক্তারা যেমন লাভবান হবেন, তেমনি ভোক্তারা তুলনামূলক সাশ্রয়ীমূল্যে পণ্য ক্রয় করতে পারবেন।
পিকেএসএফের জ্যেষ্ঠ এই কর্মকর্তা জানান, উদ্যোক্তারা বিনামূল্যে বিক্রয়কেন্দ্র ব্যবহার করবেন। কেবলমাত্র তাদের পরিসেবার খরচ বহন করতে হবে। আগামী ৩ বছরের মধ্যে বিক্রয়কেন্দ্র ব্যবহারের উপযোগী হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, বর্তমানে পিকেএসএফের কর্মসূচিতে অংশগ্রহগণকারীর মোট সংখ্যা ১ কোটি ২০ লাখ। এর মধ্যে ১৫ লাখ অংশগ্রহণকারী নিজেদেরকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।