ঢাকা, রবিবার, জানুয়ারী ২১, ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম 

বিভাগীয় সংবাদ : মুকসুদপুরে একই যন্ত্রের সাহায্যে এক সাথে ধানের চারা রোপণ ও দানাদার ইউরিয়া সার প্রয়োগ * মাগুরায় উচ্চ ফলনশীল সরিষার চাষ বেড়েছে * ভোলায় স্বাধীনতা জাদুঘর উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে   |   রাষ্ট্রপতি : বঙ্গভবন থেকে রাষ্ট্রপতির আখেরি মোনাজাতে অংশগ্রহণ    |    জাতীয় সংবাদ : আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমা সমাপ্ত   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : চিলিতে ৬ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প * কাবুলে হোটেলে হামলায় নিহত ৫ : আফগান গোয়েন্দা সংস্থা *যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের অর্থায়নে সোমবার ভোট *   |   খেলাধুলার সংবাদ : নেইমারকে নিয়ে জিদানের আশাবাদ * হ্যাজার্ডের দুই গোলে চেলসির জয় * আইপিএল নিলামে অংশ নিবেন ৫৭৮ জন খেলোয়াড়   |   

কলকাতায় ৩০তম ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্ডিয়া ট্রেড ফেয়ারের উদ্বোধন করবেন আমু

ঢাকা, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৭ (বাসস) : শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ভারতের কলকাতায় অনুষ্ঠিতব্য ৩০তম ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্ডিয়া ট্রেড ফেয়ারের (আইআইটিএফ) উদ্বোধন করবেন।
আগামী শুক্রবার থেকে কলকাতার পার্ক সার্কাসে এ ফেয়ার শুরু হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে অংশ নিতে শিল্পমন্ত্রী আগামীকাল কলকাতার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।
ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্ডিয়া ট্রেড ফেয়ার ভারতের পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর সবচেয়ে বড় শিল্প ও বাণিজ্য মেলা।
১৮৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ভারতের প্রাচীন শিল্প ও বণিক সংগঠন দ্যা বেঙ্গল ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিএনসিসিআই) এ মেলার আয়োজন করে আসছে। ১৯৮৭ সাল থেকে প্রতিবছরই এ মেলার আয়োজন করা হয়।
এবারের মেলায় বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নেপাল, ভুটান, চীন, থাইল্যান্ড, মিশর, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ঘানা, সিঙ্গাপুর, হংকং ও দুবাইয়ের উদ্যোক্তারা অংশ নেবে। এতে হস্ত ও কুটিরশিল্প, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট ৭ শতাধিক উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করছে। তারা নিজেদের উৎপাদিত পণ্য, প্রযুক্তি ও সেবা প্রদর্শন করবেন। পাশাপাশি এতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তারা দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বাণিজ্যিক আলোচনায় অংশ নেবেন।
মেলায় অংশগ্রহণের ফলে বিশেষ করে, বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও হস্তশিল্প উদ্যোক্তাদের পণ্য বিপণন ও বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে। একই সাথে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত বন্ধন সুদৃঢ় হবে।
এ উদ্যোগ ভারতসহ অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের শিল্প প্রযুক্তি, অভিজ্ঞতা ও মেধাসম্পদ বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করবে। পাশাপাশি দেশগুলোর সাথে নিবিড় সংযোজনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নে বহুপাক্ষিক সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রসারিত হবে।
শিল্পমন্ত্রীর এ সফর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক শিল্প ও বাণিজ্য সম্পর্ক সুদৃঢ়করণেও ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২৩ ডিসেম্বর তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।