ঢাকা, মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৪, ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম 

জাতীয় সংবাদ : পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ৬ মে থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু * ২০১৮ সালের হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধনের চূড়ান্ত ক্রম প্রকাশ * যুদ্ধাপরাধ মামলায় এনএসআইয়ের সাবেক ডিজি গ্রেফতার   |   প্রধানমন্ত্রী : চট্টগ্রামবন্দর দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে : প্রধানমন্ত্রী * বেলাল চৌধুরীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক * গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ এওয়ার্ড পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী   |   রাষ্ট্রপতি : দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ নিলেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ * ভূ-রাজনৈতিক বিবেচনায় চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্ব আজ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি : রাষ্ট্রপতি * কবি বেলাল চৌধুরীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক   |    জাতীয় সংবাদ : আগামী জাতীয় নির্বাচনে বহিঃবিশ্বের হস্তক্ষেপ আশা করে না আওয়ামী লীগ : ওবায়দুল কাদের * রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ২৬১.৮৮ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে * ১৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে এএসইউ প্ল্যান্টের উদ্বাধন    |   খেলাধুলার সংবাদ : চেলসিকে হারিয়ে ইউয়েফা ইয়ুথ লীগের শিরোপা জিতলো বার্সেলোনা * তিন বছরের জন্য রোমার জার্সির পৃষ্ঠপোষক হলো কাতার এয়ারওয়েজ * আরেকটি ট্রেবল জয়ের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হেইঙ্কেস   |    জাতীয় সংবাদ : বাংলাদেশের সাবলিল উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর * বিশিষ্ট কবি বেলাল চৌধুরী আর নেই * বাংলাদেশের পর্যটন খাতে বিনিয়োগে বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী আহ্বান   |   আবহাওয়া : সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুস্ক থাকতে পারে    |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : মেক্সিকোতে নিখোঁজ ৩ ছাত্র বেঁচে নেই * চীনে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু *কাবুলে সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের * টরেন্টোতে পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দেয়ার ঘটনায় নিহত ১০   |   

৯ ডিসেম্বর করিমপুর যুদ্ধে ৯ মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাতবরণ করে

ফরিদপুর, ৮ ডিসেম্বর ২০১৬ (বাসস): যশোর সেনানিবাসের পতনের পর দখলদার পাক বাহিনী কামারখালী-মাগুরা দিয়ে বয়ে যাওয়া মধুমতি নদী পার হয়ে নিকটবর্তী ফরিদপুর হেডকোয়ার্টারের দিকে পালিয়ে যেতে থাকে। বিভিন্ন দিক থেকে এসে তারা এখানে নিজেদের শক্তি সংহত করার চেষ্টা করে।
কিন্তু মুক্তি বাহিনী কামারখালী-ফরিদপুর সড়কের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে দখলদার বাহিনীর উপর হামলা চালিয়ে তাদের অনেককে হত্যা ও তাদের সরঞ্জাম ধ্বংস করে।
৯ ডিসেম্বর বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী সালাউদ্দিন নাসিমের নেতৃত্বে মুক্তি বাহিনীর প্রায় ৪০ জনের একটি দল করিমপুর ব্রিজের কাছে পলায়নপর দখলদারদের একটি লরির ওপর আক্রমণ চালিয়ে তাদের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। কিন্তু দ্রুত সেখানে দখলদার বাহিনীর অপর একটি দল যোগ দেয়। এসময় মুক্তিযোদ্ধারা চাদপুরের ধোপাডাঙ্গা গ্রামে চলে আসে। পাক বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের পিছু নিয়ে তাদের ঘেরাও করে। এখানে মুক্তিযোদ্ধাদের ছোট দলটির সঙ্গে পাক বাহিনীর বিশাল বহরের মধ্যে এক অসম যুদ্ধ হয়। মাতৃভূমির মুক্তির অঙ্গীকারে দীপ্ত দেশপ্রেমিক তরুণরা কয়েক ঘণ্টা দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যায়।
করিমপুরের এ যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী স্থানীয় ইয়াসিন কলেজের ছাত্র ও ক্রীড়াবিদ কাজী সালাউদ্দিন, মেসবাহ উদ্দিন, আবদুল ওহাব, শামসুদ্দিন মোল্লা, মঈন উদ্দিন, আবদুল হামিদ শাহাদত বরণ করেন। তারা সবাই কলেজ ছাত্র।
আহত সালাউদ্দিন ও মেসবাহ উদ্দিন যে বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন দখলদাররা তা পুড়িয়ে দেয়।
যুদ্ধের সময় সালাউদ্দিনকে সহায়তা করতে এগিয়ে আসা মুক্তিবাহিনীর অন্যতম নেতা হেমায়েত উদ্দিন আহত হয়। তার উরুতে বুলেট বিদ্ধ হয়।
এ যুদ্ধে মমিন ও তাবিবুর রহমানও আহত হন। পরে হেমায়েত উদ্দিন বাংলাদেশ সরকারের সচিব হয়েছিলেন।
করিমপুরের যুদ্ধে ইদ্রিস মোল্লা, রুনু, আবু বকর সিদ্দিক, আমিনুর রহমান ফরিদ, কাজী ফরিদ উদ্দিন (সালাউদ্দিনের ছোট ভাই) বেঁচে যান।
বর্তমান ক্রীড়া সংগঠক আমিনুর রহমান ফরিদ বলেন, যুদ্ধের শেষ প্রান্তে করিমপুরের যুদ্ধ মুক্তিবাহিনীর জন্য ছিল বিরাট এক ক্ষতির ঘটনা। আগুনে পুড়ে যাওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের ১৬ ডিসেম্বরের পর শহরের আলীপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।