ঢাকা, শনিবার, এপ্রিল ২১, ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম 

জাতীয় সংবাদ : সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে কমনওয়েলথের দৃঢ় অবস্থান   |    জাতীয় সংবাদ : প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পরই মহার্ঘ্য ভাতা সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপন : ইনু * বিসিএসআইআর মডেল রাস্তা নির্মাণে জাপানের টুইস্টার টেকনোলজি ব্যবহার করবে * জাতিসংঘের ৫৪টি শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩২৮ জন শান্তিরক্ষীর অংশ গ্রহণ   |   খেলাধুলার সংবাদ : ইংল্যান্ডের নির্বাচক হিসেবে নিয়োগ পেলেন সাবেক ব্যাটসম্যান স্মিথ *ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দিবা-রাত্রির টেস্ট খেলবে না ভারত * ওয়েঙ্গারের উত্তরসূরী হিসেবে পাঁচজনকে বিবেচনা করা হচ্ছে * ওয়াটসনের সেঞ্চুরিতে জয়ের ধারায় ফিরলো চেন্নাই   |   আবহাওয়া : দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে   |    বিভাগীয় সংবাদ : মেহেরপুরের মোমিনুলের আর্সেনিকমুক্ত প্লান্ট আবিস্কার *পিরোজপুর আধুনিক কারাগারের নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে    |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : উ. কোরিয়ার প্রতিশ্রুতিতে সন্তুষ্ট নয় জাপান *সিনেট প্যানেলে প্রত্যাখ্যাত হতে পারেন পম্পেও * অশালীন ভিডিও : সৌদি আরবে বন্ধ করে দেয়া হলো নারী শরীরচর্চা কেন্দ্র *পারমাণবিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ প্রশ্নে ইতিবাচক পদক্ষেপ উ.কোরিয়ার   |   

১৪ ডিসেম্বর নবীনগর মুক্ত দিবস

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৪ (বাসস) : আগামীকাল ১৪ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর মুক্ত দিবস।
পাক সেনাদের কবল থেকে নবীনগরকে মুক্ত করার জন্য স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা সর্বশেষ সশস্ত্র সংগ্রামে অবর্তীন হন। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ছাত্র নেতা মো. শহীদুল্লাহ বাসসকে জানান, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর দক্ষিণ মোহল্লায় আবদুল হক মাষ্টারের বাড়িতে শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা সমবেত হয়েছিল। মুক্তিযোদ্ধাদের এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম অ্যাডঃ আবদুল লতিফ, সুবেদার মজিদ, মরহুম রৌশন আলী, নাছির, আক্তার, কবীর এবং মরহুম ডাঃ আমজাদ হোসেন প্রমূখ।
তিনি আরো বলেন, এ সভায় নবীনগর মুক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে সে রাতেই মুক্তিযোদ্ধারা কড়ইবাড়ি গ্রামের মরহুম মুনসর আলী মিয়ার একটি নির্জন বাড়িতে আস্তানা গাড়ে। পাকিস্তানী সৈন্য ও রাজাকারসহ তখন নবীনগর হাইস্কুলের ছাদে ও নবীনগর থানা ভবনের ব্যাঙ্কারে অবস্থান করছিল। এ ছাড়া বেশ কিছু রাজাকার জমিদার বাড়ির দোতলায় অবস্থান করছিল। আক্রমণের প্রথম দিনেই পাকিস্তানী সৈন্যরা মর্টার নিক্ষেপ করে মাঝিকাড়ার সবগুলো কাঠের দোকান জ্বালিয়ে দেয়।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধারা নবীনগর হাইস্কুল ছাড়া সমগ্র সদর নবীনগর দখল করে ফেলে। থানার সৈন্য ও রাজাকাররা ইতিমধ্যে হাইস্কুলের ব্যাংকারে আশ্রয় নেয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হরণ থেকে নিক্ষিপ্ত কামানের গোলায় নবীনগর বাজারের অধিকাংশ দোকানঘর ভস্মিভূত হয়। ১৪ ডিসেম্বর নবীনগর হাইস্কুল সহ পুরো নবীনগরকে পাকিস্তানীদের কাছ থেকে মিত্রবাহিনীরা শত্রুমুক্ত করেন। এভাবেই ১৪ ডিসেম্বর নবীনগর হানাদার মুক্ত হয়।

সম্পর্কিত সংবাদ