ঢাকা, বুধবার, জানুয়ারী ১৭, ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম 

প্রধানমন্ত্রী : উন্নত দেশগুলোকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহবান প্রধানমন্ত্রীর   |   আবহাওয়া : দেশের কিছু স্থানে শৈত্যপ্রবাহ কমবে   |   খেলাধুলার সংবাদ : জুনে ব্যাঙ্গালুরুতে ইতিহাসের প্রথম টেস্ট খেলবে আফগানিস্তান * মিরপুর স্টেডিয়ামের শততম ওয়ানডে ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টস জিতে ফিল্ডিং-এ শ্রীলংকা   |    জাতীয় সংবাদ : ঢাকা উত্তর সিটির উপ-নির্বাচন স্থগিত * নবম ওয়েজ বোর্ডে সাংবাদিকদের স্বার্থ গুরুত্ব পাবে: তারানা হালিম * আপিল শুনানির কার্যতালিকায় যুদ্ধাপরাধী আজহার-কায়সার-সুবহানের মামলা   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : ফিলিস্তিনের জন্য জাতিসংঘ সংস্থা থেকে বরাদ্দকৃত অর্থ প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের * মিয়ানমারে রাখাইন বৌদ্ধদের ওপর পুলিশের হামলা ॥ নিহত ৭ * পেরুর সাবেক প্রেসিডেন্টের হাসপাতাল ত্যাগ * মেক্সিকোয় গণকবর থেকে ৩২টি লাশ উদ্ধার    |   

অনেক রাজাকার পরে মুক্তিযোদ্ধা হয়েছিল : সাপ্তাহিক মুক্তি

ঢাকা, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৪ (বাসস) : পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর সহযোগী বাহিনী রাজাকার বাহিনীতে যোগদানকারীদের অনেকেই পরবর্তীতে স্বপক্ষ ত্যাগ করে মুক্তি বাহিনীতে যোগ দেয় এবং মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। ১৯৭১ সালের ১০ অক্টোবর সংবাদপত্রে প্রকাশিত এক খবরে এই তথ্য প্রকাশ করে।
আড়াই হাজার রাজাকারের স্ব-পক্ষ ত্যাগ শিরোনামে একজন স্বপক্ষত্যাগকারী রাজাকারের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, প্রায় আড়াই হাজার রাজাকার স্বপক্ষ ত্যাগ করে মুক্তি বাহিনীতে যোগ দিয়েছিল। তিনি নিজেও রাজাকার থেকে মুক্তিযোদ্ধা হয়েছিলেন। তার দেয়া সাক্ষাৎকারে বলা হয়, রাজাকার বাহিনীর অনেকেই যুুদ্ধের সময় গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদেরকে সাহায্য করেছে। অনেক লোক জীবন বাঁচাতে রাজাকার বাহিনীতে নাম লিখিয়েছিল।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এক সময় তার অনুশোচনা হলো এবং বুঝতে পারলেন, বেঁচে থাকলে বাংলাদেশের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত হতে হবে। এ ছাড়া মানুষ তাদেরকে ঘৃণা করবে। মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেয়ার সুযোগ পাওয়ায় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আরো বলেন, খুব স্বল্পসংখ্যক ভাল মানুষ রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেয়। অধিকাংশই ছিল চোর-ডাকাত।
বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মুনতাসির মামুন রচিত মুক্তিযুদ্ধের চিহ্ন দলিলপত্র গ্রন্থে ৭১-এর মুক্তির সব কপি, পঁচাত্তরের পর পুলিশ গায়েব করে শিরোনামের এক নিবন্ধে একথা বলেন।
আমার রাজ্য সহায়ক সমিতির পৃষ্ঠপোষকতায় মুজিবনগর থেকে ১৯৭১ সালের ৩ সেপ্টেম্বরের পর থেকে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের মুখপত্র হিসেবে মুক্তি প্রকাশ হয়।
মামুন তার প্রবন্ধে বলেন, ১৯৭৫ সালের ১২ ডিসেম্বর তাকে গ্রেফতার করার পর পুলিশ মুক্তিযুদ্ধের উপর তার সকল দলিলপত্র ও গ্রন্থ এবং মুক্তির সকল কপি লুকিয়ে ফেলে। মুক্তির ১৯৭১ সালের ১৫ অক্টোবর প্রকাশিত সংখ্যার মাত্র একটি কপি পাওয়া যায়। ঐতিহাসিক দলিল অনুযায়ী ১৯৭১ সালের মে মাসের পর থেকেই রাজাকার বাহিনীর কার্যক্রম শুরু হয়ে যায়। পাকিস্তান সরকার আনসার বাহিনী বিলুপ্ত করার পর এই বাহিনীর সকল সদস্য রাজাকার বাহিনীতে পরিণত হয়। রাজাকার বাহিনী ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, গণহত্যা এবং মানবতার বিরুদ্ধে সকল প্রকার অপরাধ করে।