ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ২২, ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম 

বিভাগীয় সংবাদ : নড়াইলে লাখো মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে ব্যতিক্রমী আয়োজনে ভাষা শহীদদের স্মরণ   |   

চাঁদপুর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর জেলার ৫টি নির্বাচনী এলাকায় ১২৪ কোটি ৪০ লাখ টাকার উন্নয়ন কাজ করেছে

চাঁদপুর, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ (বাসস) : চাঁদপুর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর জেলার ৫টি নির্বাচনী এলাকায় ২০০৯ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ১২৪ কোটি ৪০ লাখ ৩ হাজার টাকা ব্যয়ে ২১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত করেছে।
২০০৯ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চাঁদপুর-১ কচুয়া -আসনে মোট ৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ হয়েছে। এর মধ্যে ৬টি কলেজ ভবন, ১৭টি স্কুল ভবন, ৭টি মাদ্রাসা ভবন, ও ১টি পলিটেকনিক ইনিস্টটিউট ভবন নির্মাণ করেছে ১৭ কোটি ৩৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ব্যয়ে।
২০০৯ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চাঁদপুর-২ মতলব উত্তর - দক্ষিণ- আসনে ৪৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠনের ভবন নির্মিত হয়েছে। ৮ টি কলেজ ভবন, ৩৩টি স্কুল ভবন, ৭টি মাদ্রাসা ভবন নির্মাণ সম্পন্ন করছে ২৮ কোটি ৯৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ে।
২০০৯ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চাঁদপুর-৩ সদর - হাইমচর আসনে ৫৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মিত হয়েছে। ৮ টি কলেজ ভবন, ৩৩টি স্কুল ভবন, ১২টি মাদ্রাসা ভবন এবং ১টি অফিস ও ২ টি অন্যান্য ভবন নির্মাণ সম্পন্ন করছে ৪১ কোটি ৩৮ লক্ষ্য ৮১ হাজার টাকা ব্যয়ে।
২০০৯ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চাঁদপুর- ৪- ফরিদগঞ্জ- আসনে ৩২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মিত হয়েছে। ৫ টি কলেজ ভবন, ২৩টি স্কুল ভবন, ৪টি মাদ্রাসা ভবন নির্মাণ সম্পন্ন করছে ১৬ কোটি ৭২ লক্ষ্য ৪৫ হাজার টাকা ব্যয়ে।
২০০৯ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চাঁদপুর-৫- হাজীগনঞ্জ শাহারাস্তি আসনে ৫১ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মিত হয়েছে। ৫ টি কলেজ ভবন, ৩৫টি স্কুল ভবন, ১১টি মাদ্রাসা ভবন নির্মাণ সম্পন্ন করছে ১৯ কোটি ৯৫ লক্ষ্য ৭ হাজার টাকা ব্যয়ে।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের উপ-প্রকৌশলী স্বপন কুমার সাহা বলেন,এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নেরর ফলে জেলার শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি বৈপ্লিক পরিবর্তন সূচিত হচ্ছে । ভবনগুলো লেখাপড়ার মানন্নোয়নে যথেষ্ঠ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। শিক্ষার্থীদের সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশে লেখাপড়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
তিনি আরো বলেন, কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা নতুন ও উন্নত পরিবেশে পড়াশুনার সুযোগ পাবে। প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষকগণ পাঠদানে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। সরকারের রূপকল্প ২০২১ ও শিক্ষানীতি ২০১০ বাস্তবায়নে মানসম্মত শিক্ষার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ওই প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে থাকবে।