ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২২, ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম 

প্রধানমন্ত্রী : তারেক লন্ডনে বসে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করছে : প্রধানমন্ত্রী   |    জাতীয় সংবাদ : সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে কমনওয়েলথের দৃঢ় অবস্থান * বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য যোগাযোগ এজেন্ডা গ্রহণ করলো কমনওয়েলথ * উন্নয়ন ও সুশাসনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নৌকায় ভোট দিন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী   |    জাতীয় সংবাদ : প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পরই মহার্ঘ্য ভাতা সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপন : ইনু * বিসিএসআইআর মডেল রাস্তা নির্মাণে জাপানের টুইস্টার টেকনোলজি ব্যবহার করবে * জাতিসংঘের ৫৪টি শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩২৮ জন শান্তিরক্ষীর অংশ গ্রহণ   |   খেলাধুলার সংবাদ : আইপিএল : গেইল-রাহুল ঝড়ে উড়ে গেল কলকাতা *ওয়াটসনের সেঞ্চুরিতে জয়ের ধারায় ফিরলো চেন্নাই *মিরপুরে শুরু হয়েছে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক ভলিবল   |   আবহাওয়া : দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে   |    বিভাগীয় সংবাদ : টাঙ্গাইলে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু *দিনাজপুরে পৃথক ২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৯ জন আহত   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : উ. কোরিয়ার প্রতিশ্রুতিতে সন্তুষ্ট নয় জাপান *সিনেট প্যানেলে প্রত্যাখ্যাত হতে পারেন পম্পেও * ‘অশালীন’ ভিডিও : সৌদি আরবে বন্ধ করে দেয়া হলো নারী শরীরচর্চা কেন্দ্র *পারমাণবিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ প্রশ্নে ‘ইতিবাচক’ পদক্ষেপ উ.কোরিয়ার   |   

আবুল কালাম আজাদ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক

বিশিষ্ট সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক পদে সচিব পদমর্যাদায় তিন বছরের জন্য ৩ ফেব্রুয়রি, ২০১৪ তারিখে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত হন। মেয়াদ শেষে আরও তিন বছরের জন্য অর্থাৎ ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাকে পুনঃনিয়োগ দেয়া হয়৤

আবুল কালাম আজাদ ২০০৯ সাল হতে জানুয়ারি, ২০১৪ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রেস সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দুতাবাসে প্রেস মিনিস্টার ছিলেন।

২০০২ সালে দেশে ফিরে তিনি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সংসদে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা শেখ হাসিনার প্রেস সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একটানা এই দায়িত্ব পালন শেষে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পরপরই তাকে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নিযুক্ত করা হয়৤

আবুল কালাম আজাদ ১৯৭৩ সালে দৈনিক ইত্তেফাকে তার সাংবাদিকতা জীবন শুরু করেন। দেশের এই প্রধান বাংলা দৈনিক পত্রিকায় তিনি দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন। একই সময়ে তিনি সাংবাদিকতা পেশার উৎকর্ষ ও মর্যাদা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। সাংবাদিকতা জীবনে তিনি বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি, মহাসচিব ও কোষাধ্যক্ষ এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক ছিলেন। তিনি সাংবাদিক-কর্মচারিদের জন্য গঠিত পঞ্চম ওয়েজ বোর্ডেরও সদস্য ছিলেন।

আবুল কালাম আজাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ছিলেন৤ তিনি প্রেস ইন্সটিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি)-’র পরিচালনা বোর্ডের, চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের এবং বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন।

ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের সাবেক ছাত্র আবুল কালাম আজাদ মস্কো থেকে উন্নয়ন সাংবাদিকতা বিষয়ে ডিপ্লোমা ডিগ্রী লাভ করেন। শিক্ষাজীবনে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। এছাড়াও তিনি ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সময়ে গঠিত সর্বদলীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের ঢাকা বিভাগীয় কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি বর্তমানে বঙ্গবন্ধু পরিষদের জাতীয় কমিটির সদস্য এবং এ সংগঠনের মুন্সিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি। তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথেও যুক্ত রয়েছেন।