বাসস সংসদ-৭ : বাংলাদেশ আজ সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদমুক্ত উন্নত, শান্তি ও নিরাপদ জনপদ : সরকারি দল

বাসস সংসদ-৭
রাষ্ট্রপতির ভাষণ-আলোচনা
বাংলাদেশ আজ সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদমুক্ত উন্নত, শান্তি ও নিরাপদ জনপদ : সরকারি দল
সংসদ ভবন, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ (বাসস) : রাষ্ট্রপতির ভাষণের জন্য আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ জঙ্গীবাদ-সন্ত্রাসমুক্ত, উন্নত, এক শান্তি ও নিরাপদ জনপদ।
গত ৩ ফেব্রুয়ারি সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণে আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর এ আলোচনা শুরু হয়। ওই দিন চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করলে সরকারি দলের সদস্য আ. স. ম ফিরোজ তা সমর্থন করেন।
গত ৩০ জানুয়ারি একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম ও বছরের প্রথম অধিবেশনের শুরুর দিন সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ সংসদে ভাষণ দেন।
রাষ্ট্রপতির ভাষণে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আজ ১৩তম দিনে সরকারি দলের ইউনুস আলী সরকার, আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, ছানোয়ার হোসেন, মামুনুর রশীদ কিরন, মমতাজ বেগম, ডা. সৈয়দ জাকিয়া নূর ও জাসদের শিরীন আখতার আলোচনায় অংশ নেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত ১০ বছরে দেশ যে উন্নয়নের স্তরে উন্নীত হয়েছে তাতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে সম্মানিত হয়েছে। বিশেষ করে সন্ত্রাস জঙ্গীবাদ নির্মূল করে দেশকে শান্তি ও নিরাপদ জনপদে পরিণত করায় বাংলাদেশ আজ বিশ্বে এক অন্য উচ্চতায় আসীন হয়েছে।
তারা বলেন, বিভিন্ন খাতে অনন্য সাফল্যের ফলে শেখ হাসিনা আজ আন্তর্জাতিক নেতার স্বীকৃতি পেয়েছেন। এ স্বীকৃতি হিসেবে তিনি অসংখ্য আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছেন। সর্বশেষে মিয়ামার থেকে বাস্তুচ্যুত ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে তিনি মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এ জন্য তিনি ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।
সরকারি দলের সদস্যরা বলেন, সরকারের বাস্তব এবং ভিশনারী সিদ্ধান্তের ফলে দেশে প্রতিটি খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। কৃষি খাতে উন্নয়নের ফলে দেশ আজ খাদ্যে উদ্বৃত্ত দেশে পরিণত হয়েছে। শিল্পখাতের উন্নয়নে দেশের রফতানি বাণিজ্য আরো সমৃদ্ধ হয়েছে। পাশাপাশি ব্যাপক কর্মসংস্থান হয়েছে। আর বিদ্যুৎ খাতে সাফল্যে দেশে বর্তমানে ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হচ্ছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের এ ধারা অব্যাহত থাকলে শতভাগ বিদ্যুৎ নিশ্চিত করে অচিরেই দেশ বিদ্যুতে উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত হবে।
বাসস/এমআর/এমএসএইচ/২০৪৫/বেউ/-অমি