বাসস ক্রীড়া-৭ : ‘এফ’ গ্রুপে লড়াই হবে জার্মানির পরের স্থান নিয়ে

বাসস ক্রীড়া-৭
ফুটবল-বিশ্বকাপ- প্রিভিউ
‘এফ’ গ্রুপে লড়াই হবে জার্মানির পরের স্থান নিয়ে
ঢাকা, ১ জুন, ২০১৮ (বাসস/এএফপি) : বিশ্বকাপের ড্রয়ে এবার বেশ শক্তিশালী প্রতিপক্ষ পেয়েছে চ্যাম্পিয়ন জার্মানী। এফ গ্রুপে তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে মেক্সিকো, সুইডেন ও দক্ষিণ কোরিয়া। ১৯৬২ সালের পর প্রথম টানা বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের দ্বারপ্রান্তে জার্মানি। ১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালে টানা দুইবার বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করেছিল ব্রাজিল।
জার্মানির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ ২০২২ সাল পর্যন্ত বাড়ানো কোচ জোয়াচিম লো দলটি এতটাই দক্ষদের নিয়ে গড়েছেন, যেখানে ঠাই হয়নি ২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জয়সূচক গোলদাতা মারিও গোটশেরও।
তারুন্য নির্ভর দল নিয়ে গত বছর রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত কনফেডারেশন কাপের শিরোপা জয় করেছে জার্মানি। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের সমর্থ্যের গভীরতার প্রমান দিয়েছে। ওই আসরের সেমি-ফাইনালে তারা মেক্সিকোকে হারিয়েছিল ৪-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে।
মেক্সিকো বেশ সহজভাবেই বছাইপর্বের বাঁধা অতিক্রম করে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত আসর নিশ্চিত করেছে। তবে ‘এল ট্রি’রা বিগত ছয়টি বিশ্বকাপেই শেষ ষোল থেকে বিদায় নিয়েছে। যে কারণে এবারো তাদের লক্ষ্য থাকবে দলকে অন্তত একই উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া। যে কারণে জার্মানীর পরের স্থানটির জন্য গ্রুপের বাকী তিনটি দল মেক্সিকো, সুইডেন এবং কোরিয়ার মধ্যে আকর্ষনীয় লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
প্লে অফে ইতালীকে নাটকীয়ভাবে হারিয়ে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করেছে সুইডেন। তবে জøাটান ইব্রাহিমোভিচ পরবর্তী সুইডেনকে হাল্কাভাবে নেয়ারও সুযোগ নেই। কারণ বাছাইপর্বে তারা ফ্রান্সের মত দলকে হারিয়ে দিয়েছিল।
২০০২ সালে জাপানের সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বকাপের আয়োজক দক্ষিণ কোরিয়া ওই আসরের সেমিতে যাবার পর এখন বিশ্ব ফুটবলে আলোচিত নাম। ঘরোয়া ফুটবলের অধিকাংশ খেলোয়াড় নিয়ে তাদের স্কোয়াডটি গঠিত হয়েছে। আর বাইরে রয়েছে চীন ও জাপানে খেলা তারকারা।
আগামী ১৮ জুন নিজনি নভগোরদে সুইডেনের বিপক্ষে কোরিয়ার গ্রুপ পর্বের ম্যাচটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর একদিন আগে অবশ্য মস্কোতে জার্মানি তাদের বিশ্বকাপ মিশনে নামবে মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে।
তবে গ্রুপের যে দলই ২য় অবস্থান নিয়ে পরের রাউন্ডে উঠে আসুক না কেন, সেখানে তারা প্রতিপক্ষ হিসেবে পেতে পারে সুপার পাওয়ার ব্রাজিকে।
বাসস/এএফপি/এমএইচসি/১৭১৫/স্বব