বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে : রাষ্ট্রপতি

169

ঢাকা, ২৯ মে, ২০১৮ (বাসস) : রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে।
‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০১৮’ উপলক্ষে সোমবার এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও আগামীকাল মঙ্গলবার (২৯ মে) যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০১৮ পালিত হচ্ছে জেনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ উপলক্ষে তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের সকল শান্তিরক্ষীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান ।
আবদুল হামিদ তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন,বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি ও সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গৃহীত এ মূলমন্ত্র ধারণ করে ‘আমাদের পররাষ্ট্র নীতি পরিচালিত হচ্ছে’।
বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে সোমবার শান্তি ও সম্প্রীতির এক উজ্জ¦ল দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিচিত – একথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে অদ্যাবধি বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী সদস্যরা সর্বোচ্চ পেশাদারি মনোভাব, আনুগত্য ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে চলেছেন। তাদের অনন্য অবদানের জন্য আন্তর্জাতিক পরিম-লে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ¦ল হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন,জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আজ বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত। পেশাদারিত্বের পাশাপাশি অর্পিত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের এই সাফল্য অর্জনে ভূমিকা রেখেছে।
তিনি বলেন,‘আমি আশা করি আমাদের শান্তিরক্ষী সদস্যরা বিশ্বশান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আগামী দিনগুলোতেও এই ধারা অব্যাহত রাখবে।’
আবদুল হামিদ বলেন,এ বছর জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অংশ গ্রহণের ৩০ বছর পূর্তি হচ্ছে। বিশ্ব শান্তি রক্ষার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যে সকল শান্তিরক্ষী সদস্য তাঁদের জীবন উৎসর্গ করেছেন তিনি তাঁদের গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
রাষ্ট্রপতি ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০১৮’র গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

image_printPrint