আগামীকাল নারায়ণগঞ্জে শুরু হচ্ছে শাস্ত্রীয় সংগীত সম্মেলন

57
image_printPrint

ঢাকা, ৯ জানুয়ারি, ২০১৮ (বাসস) : শিল্প, বন্দর ও সাংস্কৃতিক নগরী নারায়ণগঞ্জে আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে দু’দিনব্যাপী শাস্ত্রীয় সংগীত সম্মেলন।
নবম বাবের মতো এবার ১০ ও ১১ ডিসেম্বর এই সম্মেলন আয়োজন করেছে সংগীত বিষয়ক সংগঠন ‘লক্ষ্যাপার’। এবারের সম্মেলন উৎসর্গ করা হচ্ছে পন্ডিত বারীন মজুমদারকে।
লক্ষ্যাপার এর সমন্বয়ক অধ্যাপক অসিত কুমার সাহা আজ বাসসকে এই তথ্য জানিয়ে বলেন, সম্মেলনে আয়োজনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এই সম্মেলন নগরীর দুটি ভ্যানুতে অনুষ্ঠিত হবে। স্থানীয় প্রিপারেটরী স্কুল ও নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের কনভেনশন সেন্টারে বিভিন্ন আসরগুলো অনুষ্ঠিত হবে।
সংগীত সম্মেলনে রাতভর শাস্ত্রীয় সংগীত চলবে। এ ছাড়াও কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শাস্ত্রীয় সংগীত প্রতিযোগিতা, শাস্ত্রীয় সংগীতের ওপর সেমিনার, আলোচনা, একজন সংগীতজ্ঞকে সন্মাননা প্রদান এবং পুরস্কার বিতরন। এ বছর লক্ষ্যাপার এর সন্মাননা প্রদান করা হচ্ছে দেশের বিশিষ্ট সংগীতজ্ঞ আজাদ রহমানকে।
সম্মেলনের প্রথম দিনে আগামীকাল ১০ ডিসেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে শাস্ত্রীয় সংগীত প্রতিযোগিতা। স্থানীয় প্রিপারেটী স্কুলে এই আসর হবে। ১১ ডিসেম্বর বিকেলে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে ‘সাহিত্যে সংগীত : প্রেক্ষিত তলস্তয়ের গল্প-ক্রয়েটজার সোনাটা’ ’শীর্ষক সেমিনার। পরে লক্ষ্যাপার পরম্পরার শিল্পীরা গাইবেন সম্মেলক গান। খেয়াল পরিবেশন করবেন শিল্পী কানিজ হুমনা আহাম্মদী। রাত নয়টায় লক্ষ্যারপার আজীবন সন্নাননা-২০১৭ প্রদান করা হবে সংগীতজ্ঞ আজাদ রহমানকে। সন্মাননা প্রদান করবেন লক্ষ্যাপার এর প্রধান উপদেষ্টা কাসেম জামাল। এরপর সারারাত চলবে কন্ঠসংগীত ও যন্ত্রসংগীত। এতে যেসব শিল্পীরা অংশ নেবেন তারা হচ্ছেন, পন্ডিত তুষার দত্ত, আহেমদ ব্রাদার্স, বিজন চন্দ্র মিস্ত্রী, সোমরঞ্জন চক্রবর্তী, অর্ণব ভট্টাচার্য, রেজওয়ান আলী ও ফিরোজ খান।
অধ্যাপক অসিত কুমার সাহা সম্মেলন সম্পর্কে বাসসকে আরও জানান, গত আটবছর ধরে এই সংগীত সম্মেলন হয়েছে। এবার হচ্ছে নবম সম্মেলন। নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা থেকে সংগীতপ্রেমীরা এ সম্মেলন উপভোগ করতে আসছেন। এবারও ব্যাতিক্রম হবে না আশা করছি। অন্যান্য বারের মতো এবারের সম্মেলনে দেশের একজন শীর্ষস্থানীয় সংগীতজ্ঞকে সন্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। শাত্রীয় সংগীত প্রতিযোগীতায় যারা শীর্ষস্থান অধিকার করবে তাদের হারাধন-সুখেন শাস্ত্রীয় প্রণোদনা বৃত্তি প্রদান করা হবে।