বাসস দেশ-২২ : দ্বিতীয় দিন আপিলে বৈধ ৭৮ ॥ বাতিল ৬৫

বাসস দেশ-২২
আপিল-শুনানী
দ্বিতীয় দিন আপিলে বৈধ ৭৮ ॥ বাতিল ৬৫
ঢাকা, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ (বাসস) : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল আবেদনের মধ্যে দ্বিতীয় দিন ১৫০ জনের শুনানী নেয়া হয়।
এরমধ্যে ৭৮ জন প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ করে তাদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে ৬৫ জনের আবেদন খারিজ করে এবং অন্যদিকে ৭ জন প্রাথীর আবেদন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
দুই দিনে ৩১০টি আপিল শুনানি করে ইসি। আপিল শুনানিতে দুই দিনে ১৫৮ জন প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। বাতিল বা খারিজ হয়েছে ১৪১ জনের আপিল। বাকি ১১টি আবেদন স্থগিত রাখা হয়। প্রথম দিন ৮০ জন প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ করে তাদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়, রিটার্নিং কর্মকর্তার মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে ৭৬ জনের আবেদন খারিজ করে এবং ৪ জন প্রাথীর আবেদন স্থগিত করা হয়।
আপিল শুনানীর দ্বিতীয় দিনে বিএনপি প্রার্থী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, গণফোরামের প্রার্থী রেজা কিবরিয়া, জাতীয় পার্টির সোহেল রানা (মাসুদ পারভেজ) সহ ৭৮ জন আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পান। আর আপিল খারিজ হয়েছে জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার, গণজাগরণ মঞ্চের একাংশের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার, বিএনপি নেতা ডা. জেডএম জাহিদ হোসেনসহ ৬৫ জনের।
দ্বিতীয় দিন সকাল ১০টায় নির্বাচন কমিশন ভবনের অস্থায়ী এজলাসে এ শুনানি শুরু হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী আপিল শুনানি করেন। ইসি সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
আগামীকাল ৮ ডিসেম্বর শনিবার শেষ দিন ৩১১ থেকে ৫৪৩ নম্বর আপিল আবেদনের শুনানি হবে।
২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে ২ হাজার ২৭৯টি মনোনয়নপত্র বৈধ ও ৭৮৬টি বাতিল ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। রিটার্নি কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্দ ব্যক্তিরা গত ৩ ডিসেম্বর ৮৪টি, ৪ ডিসেম্বর ২৩৭টি এবং গতকাল শেষ দিনে ২২২টিসহ মোট ৫৪৩টি আবেদন দায়ের করেন।
আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেয়ার পর থেকে প্রার্থী ও তার সমর্থকরা নির্বাচনী এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন।
বাসস/এএসজি/এমএসএইচ/২১২০/জেহক