বাসস দেশ-৩০ : বিজয়ের মাসে নাট্যোৎসব : কোটালীপাড়া মুক্ত দিবস কাল

বাসস দেশ-৩০
বিজয়-কর্মসূচি
বিজয়ের মাসে নাট্যোৎসব : কোটালীপাড়া মুক্ত দিবস কাল
ঢাকা, ২ ডিসেম্বর, ২০১৮ (বাসস) : বহু ত্যাগ সংগ্রাম আর প্রত্যাশার ফসল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। এ শুধু পতাকা আর জাতীয় সঙ্গীত বদল নয়, খোল-নলচে সব পাল্টে নতুন এক আদর্শকে রাষ্ট্র ও সমাজ জীবনে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্নের নবযাত্রা।
এ স্বপ্নের বাস্তবায়ন হয়েছিল একাত্তরের ডিসেম্বরে। সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে বাঙ্গালি জাতির কয়েক হাজার বছরের সামাজিক-রাজনৈতিক স্বপ্ন সাধ পূরণ হয় এ মাসে।
আর এ মাসেরই ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধের অবিস্মরণীয় গৌরবদীপ্ত চূড়ান্ত বিজয়। স্বাধীন জাতি হিসেবে সমগ্র বিশ্বে আত্মপরিচয় লাভ করে বাঙালিরা। অর্জন করে নিজস্ব ভূ-খন্ড আর সবুজের বুকে লাল সূর্য খচিত নিজস্ব জাতীয় পতাকা।
বিজয়ের মাসের তৃতীয় দিনেও বিভিন্ন সংগঠন আয়োজন করেছে নানা অনুষ্ঠানের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ব্যবস্থাপনায় আগামীকাল সোমবার সন্ধ্যায় টিএসসি মিলনায়তনে উদ্ধোধন হবে ১৩তম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বার্ষিক কেন্দ্রীয় নাট্যোৎসবের। বিজয়ের মাসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা উজ্জীবিত করার লক্ষ্য নিয়ে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।
অন্যদিকে আগামীকাল সোমবার কোটালীপাড়া মুক্ত দিবস ৭১-এর এই দিনে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া হানাদার মুক্ত হয়েছিল। কোটালীপাড়া উপজেলায় বয়ে গিয়েছিল আনন্দের বন্যা। অনেক দুঃখ বেদনার পরও সেদিন এলাকার মানুষের মধ্যে ছিল আনন্দ আর উচ্ছাস। কোটালীপাড়াবাসি পেয়েছিল মুক্তির স্বাদ।
৩ ডিসেম্বর সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কাকডাঙ্গা রাজাকার মুক্তিযোদ্ধারা হামলা চালিয়ে ক্যাম্পটি দখল করে নেয়। রাজাকার ক্যাম্পের সদস্যরা মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। এরই মধ্যে দিয়ে কোটালীপাড়া উপজেলা হানাদার মুক্ত হয়।
দিবসটি পালন উপলক্ষে হেমায়েত বাহিনী সকাল ১০টায় উপজেলার টুপরিয়া গ্রামে অবস্থিত হেমায়েত বাহিনী স্মৃতি যাদুঘরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলসহ নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
বাসস/কেসি/২০১০/এমকে