বাসস দেশ-১৬ : নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা প্রতিরোধে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী সচেষ্ট রয়েছে

বাসস দেশ-১৬
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি-সংলাপ
নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা প্রতিরোধে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী সচেষ্ট রয়েছে
ঢাকা, ১৬ নভেম্বর, ২০১৮ (বাসস) : ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম বলেছেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যাতে কোন ধরনের সহিংস ঘটনার সৃস্টি না হয়, সেজন্য আইন শৃংখলা রক্ষাকারী সংস্থাসমূহ সচেষ্ট রয়েছে।
তিনি বলেন, কেউ ফৌজদারী অপরাধে লিপ্ত হলে আইন শৃংখলা রক্ষায় নিয়োজিত সংস্থা তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে ।
সিটিটিসি প্রধান আজ রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে উগ্রবাদ-সহিংসতা প্রতিরোধে তরুণদের সম্পৃক্তকরণ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ অভিমত ব্যক্ত করেন। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সম্প্রীতি প্রকল্পের সহযোগিতায় আয়োজিত এ সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
মনিরুল ইসলাম বলেন,বঞ্চনাবোধ থেকেই তরুণদের উগ্রবাদ চেতনার জন্ম। শুধু সামাজিক ও অর্থনৈতিক বঞ্চনাই নয়, কিছু তরুণ বিশ্বাস করে ধর্মীয়ভাবেও তারা বঞ্চিত। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় নির্যাতনের ঘটনায় তারা স্থানীয়ভাবে প্রতিশোধ নিতে চায়। ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উগ্রবাদ বিস্তারের কারণ নিজ দেশের সংস্কৃতি ও দেশপ্রেম সম্পর্কে তাদের ধারনার অভাব ।
তিনি আরো বলেন, উগ্রবাদ -সহিংসতা সৃষ্টির জন্য নিজের বিশ্বাস ও চিন্তাকে অন্যের ওপর চাপিয়ে দেয়া, পরিবার থেকে বিছিন্নতাবোধ,সুস্থ চিন্তা শক্তির অভাব এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার অনেকাংশে দায়ী। এ সংকট উত্তরণে পারিবারিক সম্প্রীতি জোরদার করা জরুরী।
মূলপ্রবন্ধে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, সহিংস উগ্রবাদী কর্মকান্ডে বাংলাদেশে ব্যবহার করা হচ্ছে তরুণ সমাজকে। নানা কৌশলে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, বেকারত্ব ও হতাশাকে পুঁজি করে তরুণদের লোভ দেখিয়ে অথবা ধর্মের অপব্যাখ্যার মাধ্যমে সহিংসতামূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফারহানা বেগম, তরুণ উদ্যোক্তা ও ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকার মাহবুব মজুমদার, গীতিকার কবির বকুল, সরকারি ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো: আলমগীর রহমান, মনরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক আবু রইস, গবেষক ড. এস এম মোর্শেদ প্রমুখ । এছাড়াও সংলাপে সমাজের নানা শ্রেণী-পেশার প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন মাদ্রাসা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
বাসস/সবি/এমএমবি/২১০৫/জেহক