বাসস দেশ-৩২ : একাদশ জাতীয় সংসদের তফসিল ঘোষণা ৮ নভেম্বর

159

বাসস দেশ-৩২
ইসি-তফসিল
একাদশ জাতীয় সংসদের তফসিল ঘোষণা ৮ নভেম্বর
ঢাকা, ৪ নভেম্বর, ২০১৮ (বাসস) : আগামী ৮ নভেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদের তফসিল ঘোষণা করা হবে। প্রধান নির্বাচনার কমিশনার একেএম নূরুল হুদা এদিন বিকালে জাতির উদ্দেশে ভাষণের মধ্যদিয়ে এই তফসিল ঘোষণা করবেন।
আজ নির্বাচন কমিশনের সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আজকে তফসিল ঘোষণার তারিখ ছিল। আমরা সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে ৮ নভেম্বর তফসিলের তারিখ নির্ধারণ করেছি।’ তফসিল ঘোষণার পর থেকে ভোট গ্রহণ পর্যন্ত ৪৫ দিনের মত সময় রাখা হবে বলেও জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে ইসির সচিবালয়ের সচিব হেলাল উদ্দিন আহমেদ, যুগ্মসচিব এস এম আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে আজ নির্বাচন কমিশনের ৩৮তম মুলতবি সভায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) বিধিমালা চূড়ান্ত করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এখন আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে তা গেজেট আকারে জারি করবে ইসি সচিবালয়।
ইসি সচিবালয়ের যুগ্মসচিব এস এম আসাদুজ্জামান বলেন, ইভিএম বিধিমালা জারির মাধ্যমে একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সব ধরনের বিধি সংশোধন চূড়ান্ত হচ্ছে। ইভিএম বিধিমালা পাওয়ায় সংসদ নির্বাচনে এর ব্যবহারের সার্বিক বিষয় চূড়ান্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইভিএম চালুর ৮ বছর পর প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচনে এ প্রযুক্তি ব্যবহার হবে।
২০১০ সালের জুন মাসে স্বল্প পরিসরে চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে ইভিএম চালু হয়। ২০১৫ সালের এসে ওই ইভিএম বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে ডিজিটাইজড সুবিধা সম্বলিত নতুন ইভিএম তৈরি করে ইসি। ২০১৬ সালে রংপুর সিটি নির্বাচনে তা আবারও চালু হয়। এর দু’বছরের মাথায় সংসদে নতুন প্রযুক্তিটি চালু হচ্ছে। ’জাতীয় সংসদ নির্বাচন ইভিএম বিধিমালা ২০১৮’ এ রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার, ভোট গণনা, ফল একীকরণসহ নানা বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, আইনি ভিত্তি পাওয়ার পর স্বল্প পরিসরে এ প্রযুক্তি ব্যবহার হবে। কয়টি কেন্দ্রে তা ব্যবহার করা হবে তা কমিশনই চূড়ান্ত করবে। দ্বৈচয়ন পদ্ধতিতে এসব কেন্দ্র বাছাই করা হবে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণাকালে সিইসির জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে ভোটের তারিখ ও ইভিএম নিয়ে বিস্তারিত থাকবে বলে জানিয়েছেন ইসি কর্মকর্তারা।
এছাড়া অনলাইনে মনোনয়ন জমা দেয়ার বিধানও বিধিমালায় যুক্ত করা হয়েছে।
বাসস/এএসজি/এমএসএইচ/১৯৫৮/-কেএমকে