সরকারে ধারাবাহিকতার জন্য দেশে উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়েছে : পরিবেশ ও বনমন্ত্রী

43
image_printPrint

ঢাকা, ১২ মে, ২০১৮ (বাসস) : পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, গত নয়বছরে সরকারের স্থিতিশীলতা ও ধারাবাহিকতার জন্য দেশে উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সরকারের বাস্তবমুখী পদক্ষেপের কারণে বৈশ্বিক মন্দা স্বত্ত্বেও আমাদের রেমিট্যান্স, রপ্তানি এবং প্রবৃদ্ধি অব্যহত ছিল।’
শনিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে সিটি ফাউন্ডেশন ১৩তম সিটি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আরলিংকস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ‘১৩তম সিটি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পুরষ্কার’-এর উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারপারসন রোকেয়া আফজাল রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সিটিবাংলাদেশএনএ’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও কান্ট্রি অফিসার এন রাজাশেকারান শেখর, সাজেদা ফাউন্ডেশনের নির্বাহি পরিচালক জাহিদা ফিজ্জা কবির, ক্রেডিট এ্যান্ড ডেভলপমেন্ট ফোরাম-এর নির্বাহি পরিচালক মো. আব্দুল আউয়াল, বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং রিফর্ম এ্যাডভাইজার এস.কে. সূর চৌধুরী, রাশেদা কে. চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগে নির্বাচিত ১৪জন সফল উদ্যোক্তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে নারীদের সম্পৃক্ততার প্রশংসা করে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন খাতে ক্ষুদ্র উদ্যোগের কারনেই দেশে অর্ন্তভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি হচ্ছে।’
সারা দেশে বিভিন্ন ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠান ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্ষুদ্র ঋনের অর্থায়নের মাধ্যমে যে উন্নয়ন শুরু হয়েছিল তার প্রভাব ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উপরও পড়েছে।
পরিবেশ ও বনমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র শিল্প খাতে যে পরিবর্তন হয়েছে তা ছড়িয়ে দিতে হবে, সবাইকে জানাতে হবে। এতে অন্যরা উৎসাহিত হবে।
‘বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো (এনজিও) সরকারের সহায়ক, প্রতিপক্ষ নয়’- একথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এনজিও সমূহকে একটি কাঠামোতে এনে সমন্বিতভাবে কাজ করার চেষ্টা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ‘শ্রেষ্ঠ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা’ বিভাগে পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন- বিজয়ী হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ের মাসুমা খানম; প্রথম রানার-আপ পাবনার মো. সিরাজুল ইসলাম এবং দ্বিতীয় রানার-আপ ফেনীর মো. সলিম উদ্দিন।
‘শ্রেষ্ঠ নারী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা’ বিভাগে পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন- বিজয়ী হিসেবে ফরিদপুরের খালেদা আক্তার; প্রথম রানার-আপ বগুড়ার মিলি খাতুন এবং দ্বিতীয় রানার-আপ হবিগঞ্জের জাকিয়া আফরিন মুক্তা।
‘শ্রেষ্ঠ তরুণ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা’ বিভাগে পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন- বিজয়ী হিসেবে কুষ্টিয়ার মো. শাহিনুর রহমান; প্রথম রানার-আপ, মেহেরপুরের মোছা. সাহিদা খাতুন এবং দ্বিতীয় রানার-আপ ঢাকার উম্মে শায়লা রুমকী।
‘শ্রেষ্ঠ কৃষি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা’ বিভাগে পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন- বিজয়ী হিসেবে সাতক্ষীরার মো. সাইফুল্লাহ্ গাজী; প্রথম রানার-আপ কুষ্টিয়া সদরের বিউটি বেগম এবং দ্বিতীয় রানার-আপ রাঙ্গামাটির শ্যামল বসু।
এছাড়াও বছরের সেরা সৃজনশীল ক্ষুদ্রঋণ সংস্থা বিভাগে ‘সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা’ এবং ‘বছরের সেরা ক্ষুদ্রঋণ সংস্থা’ বিভাগে ‘মমতা’ পুরস্কার বিজয়ীর লাভ করে।