তরুণ সমাজের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের অংশগ্রহণ জরুরি : রাষ্ট্রপতি

260

ঢাকা, ৯ অক্টোবর, ২০১৮ (বাসস) : রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, তরুণ সমাজের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের অংশগ্রহণ খুবই জরুরি।
বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে প্রদত্ত আজ এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, তরুণদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে না পারলে জাতীয় উন্নয়ন ব্যাহত হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।
তিনি বলেন, অন্যান্য রোগের মতো মানসিক রোগেরও বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। তাই ঝাড়ফুঁক বা অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসাপদ্ধতি পরিহারে জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমানে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও মানসিক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে মাদকাসক্তি, পারিপার্শ্বিক পরিবেশ, নগরায়ণসহ পারিবারিক ও সামাজিক নানা অস্থিরতা তরুণ সমাজের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।
তিনি বলেন, এ বছর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য ‘পরিবর্তনশীল বিশ্বে তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য’ যথার্থ হয়েছে ইল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি জাতির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ গড়ে উঠে তারুণ্যকে নির্ভর করে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস’ উদ্যাপনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে মো. আবদুল হামিদ বলেন, স্বাস্থ্য একটি সমন্বিত বিষয় এবং মানসিক স্বাস্থ্য ব্যতীত সুস্বাস্থ্য অসম্পূর্ণ। তাই শরীরের মত মনের যতœ নেয়াও আবশ্যক। মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা অন্য সাধারণ রোগীর চেয়ে ভিন্ন ধারার এবং চিকিৎসার পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক সমর্থনও এক্ষেত্রে অত্যন্ত জরুরি।
আগামী প্রজন্মকে সুস্থ ও সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে সকলের সম্মিলিত প্রয়াস অব্যাহত থাকবে- এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করে রাষ্ট্রপতি ‘বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০১৮’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করেন।

image_printPrint