পর্যটন শিল্পের প্রচার ও উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে : রাষ্ট্রপতি

288

ঢাকা, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ (বাসস) : রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, প্রযুক্তিগত উত্তরণ ঘটিয়ে দেশের পর্যটন শিল্পের প্রচার ও উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি ট্যুর অপারেটর, হোটেল ও এভিয়েশন সংশ্লিষ্ট সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।
আগামীকাল ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও যথাযথ গুরুত্বের সাথে বাংলাদেশে ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস’ পালিত হচ্ছে জেনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘পর্যটন শিল্প বিকাশে তথ্যপ্রযুক্তি’ পর্যটন সংশ্লিষ্ট সকল খাতে প্রযুক্তির ব্যবহারকে উৎসাহিত করবে বলে আমি মনে করি’।
আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশ বিপুল পর্যটন সম্ভাবনার দেশ। বাংলাদেশের রয়েছে হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, জীববৈচিত্র্য ও স্বকীয় জীবনধারাও রয়েছে। নিজেদের সংস্কৃতি, খাদ্যাভ্যাস, হস্তশিল্প, খেলাধুলা ও উৎসবসমূহ দেশি বিদেশি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরার মধ্যেই অফুরন্ত সুযোগ ও সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে পর্যটন শিল্পের ভূমিকা খুবই উজ্জ্বল।
তিনি বলেন, সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এবং গৃহীত কর্মসূচির ফলে দেশের সম্ভাবনাময় শিল্প দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের বহুমূখী পর্যটন সম্ভাবনা ও পর্যটন আকর্ষণসমূহ দেশে বিদেশে পর্যটকদের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। সরকার পর্যটকদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রবর্তন করেছে। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণে ভিসা অন অ্যারাইভ্যাল সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, এ ছাড়া কমিউনিটি বেইজড ট্যুরিজম, ইয়ুথ ট্যুরিজম, অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম, মাইস ট্যুরিজম উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার পাশাপাশি পর্যটন খাতে বিনিয়োগের জন্য দেশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন প্রণোদনামূলক সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পর্যটন শিল্পের অবদান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

image_printPrint