পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে অভিন্ন নীতিমালা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

135
image_printPrint

ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ (বাসস) : শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক নিয়োগের একটি অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘এজন্য সবার মতামত নেয়া হয়েছে। এর ভিত্তিতে চুড়ান্ত নীতিমালা প্রণীত হবে। সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে একই নিয়মে নিয়োগ ও পদোন্নতি হবে।’
শিক্ষামন্ত্রী আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সম্মেলন কক্ষে কমিশন কর্তৃক প্রণীত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি/পদোন্নয়ন সংক্রান্ত অভিন্ন নীতিমালার বিষয়ে সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ অংশীজনদের নিয়ে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল্লাহ আল হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি এ এস এম মাকসুদ কামাল এবং ইউজিসির সদস্য ড. মো. আখতার হোসেন বক্তব্য রাখেন।
নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি/পদোন্নয়ন অভিন্ন নীতিমালা চুড়ান্ত করা হবে। আলোচনার মাধ্যমে সকলের মতামত যাচাই ও তুলনা করা সম্ভব হয়েছে। উপাচার্যরা অভিজ্ঞতার আলোকে মতামত দিয়েছেন। এর ভিত্তিতে এ বিষয়ে গঠিত কমিটি নীতিমালা চুড়ান্ত করবে।
তিনি বলেন, এ নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা আরো বৃদ্ধি পাবে এবং যোগ্যতম প্রার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাবেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ব^বিদ্যালয়ে যুগের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ শিক্ষা দিতে হবে। এজন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা, জ্ঞানচর্চা বাড়াতে হবে। জ্ঞান অনুসন্ধান ও নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করতে হবে।
এদিকে পরে শিক্ষামন্ত্রী জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে এবছরের এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
মাসিক ’বিশ্ববিদ্যালয় পরিক্রমা’ এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
মাসিক পরিক্রমার প্রধান সম্পাদক হারুন-অর-রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিএফইউজে’র সভাপতি মোল্লা জালাল, প্রাইম ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান মীর শাহাবুদ্দিন এবং ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. হাবিবুর রহমান খান।