মঞ্চ নাটকের মান বৃদ্ধির জন্য বেশি করে প্রশিক্ষণ দরকার : সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী

150
image_printPrint

ঢাকা, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ (বাসস) : সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, মঞ্চ নাটকের মান বৃদ্ধি ও বজায় রাখার জন্য বেশি করে প্রশিক্ষণ দরকার।
আজ বিকালে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে স্বনামধন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসি ফাইন্যান্সিং লিমিটেড আয়োজিত পাঁচদিনব্যাপী ‘আইডিএলসি নাট্য উৎসব ২০১৮’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন আইডিএলসি ফাইন্যান্সিং লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ খান এবং অন্যতম বৃহত্তম অ্যাডভার্টাইজিং সংস্থা বিটপী’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক সারা আলী।
আসাদুজ্জামান নূর বলেন, কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নাটকের মান বজায় রাখার জন্য যথেষ্ট নয়, এ জন্য এ বিষয়ক বিশেষ প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করতে পারে। তাছাড়া নিয়মিত মঞ্চ নাট্যকর্মীদের যাদের জীবন-জীবিকা মূলত নাটকের ওপর নির্ভরশীল তাদেরকে বাছাইপূর্বক আগ্রহী কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের প্রাতিষ্ঠানিক-সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বাৎসরিক সম্মানীর ব্যবস্থা করতে পারে।
আসাদুজ্জামান নূর বলেন, রাজধানীর উত্তরা ও মিরপুর ছাড়াও সারা দেশের প্রতিটি উপজেলায় মঞ্চ তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছি। এর ফলে তৃণমূল পর্যায়েও নাট্যচর্চার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
মন্ত্রী বলেন, নাটক একটি ব্যয়বহুল শিল্পমাধ্যম। এ থেকে আয় করে শিল্পী তথা নাট্যকর্মীর জীবিকা নির্বাহ তুলনামূলকভাবে কঠিন। সে জন্য আমাদের দেশের ব্যবসায়িক বা আর্থিক কোন প্রতিষ্ঠান নাটকের পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে আসলে নাট্যকর্মীদের উচিত সে সুযোগ গ্রহণ করা। সেটি নাটকের জন্য ভালো হবে। নাটক এগিয়ে যাবে এবং সমৃদ্ধ হবে।
উদ্বোধনী দিনে ‘হাসনজানের রাজা’ ও ‘দ্য লোয়ার ডেপথস’ মঞ্চায়িত হয়। যা পরিবেশন করে যথাক্রমে ‘প্রাঙ্গণে মোর’ এবং ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ’।
এছাড়া আরো আটটি দল এ উৎসবে নাটক পরিবেশন করবে। দর্শকনন্দিত এ দলগুলো হলো- ঢাকা পদাতিক, পালাকার, বটতলা, ঢাকা থিয়েটার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ, থিয়েটার, প্রাচ্যনাট ও নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়। এ নাট্য উৎসবে তারা যথাক্রমে পরিবেশন করবে ট্রায়াল অভ্ সূর্যসেন, বাংলার মাটি বাংলার জল, ক্রাচের কর্ণেল, পঞ্চনারী আখ্যান, দ্য অ্যালকেমিস্ট, মুক্তি, সার্কাস সার্কাস এবং ওপেন কাপল।