দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী নতুন প্রজন্মের জন্য সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র : রাষ্ট্রপতি

120

ঢাকা, ৩১ আগস্ট ২০১৮ (বাসস) : রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের মেধা, মনন ও সৃজনশীলতার বিকাশে দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র।
তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী নবীন-প্রবীণ শিল্পীরা তাদের সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে শিল্পকলার সৌন্দর্য, শান্তি ও নান্দনিকতা বিশ্বের প্রতিটি জায়গায় ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হবেন।’
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ আগামীকাল শনিবার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হতে যাওয়া ‘১৮তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী বাংলাদেশ ২০১৮’ উপলক্ষে প্রদত্ত এক বাণীতে এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, “বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি মাসব্যাপী ‘দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী বাংলাদেশ ২০১৮’ আয়োজন করছে জেনে আমি আনন্দিত। আমি প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী দেশ-বিদেশের শিল্পী, ভাস্কর, দর্শক, সমালোচক, বিচারক, সংগ্রাহক ও তত্ত্বাবধায়কসহ আয়োজক কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।”
তিনি বলেন, ঐতিহ্যগতভাবেই এ দেশের মানুষ শিল্প ও সংস্কৃতিমনা। এ দেশের কবি, গায়ক ও শিল্পীরা অনেকেই দীক্ষা লাভ করেছেন বাংলার অপরূপ প্রকৃতি ও উদার সাংস্কৃতিক চেতনা থেকে এবং আমাদের শিল্প-সংস্কৃতিকে বহির্বিশ্বে তুলে ধরেছেন।
‘দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী এ অঞ্চলের অন্যতম মানসম্পন্ন চারুকলা, ভাস্কর্য ও স্থাপনাশিল্পের প্রদর্শনী হিসেবে স্বীকৃত’- একথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ঢাকায় এবারের দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীর আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির পাশাপাশি এ অঞ্চলের শিল্পকলার কৃষ্টি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে আরো সমৃদ্ধ করবে- এ প্রত্যাশা করি।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ১২৩ জন এবং ৬৭টি দেশের ২৬০ জন শিল্পী এ প্রদর্শনীতে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ও মতবিনিময়ের সুযোগ পাবে, যা এশীয় অঞ্চলে চারুকলাসহ শিল্প-সংস্কৃতির উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখবে।
১৮তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী সবার মাঝে শান্তি, আনন্দ ও ভালোবাসাবোধকে জাগ্রত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

image_printPrint