দ্বিবার্ষিকী এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী বৃহৎ সম্মিলনে পরিণত হবে : শেখ হাসিনা

75
image_printPrint

ঢাকা, ৩১ আগস্ট ২০১৮ (বাসস) : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করে বলেছেন, ‘১৮তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী বাংলাদেশ ২০১৮’ দেশি-বিদেশি শিল্পী, শিল্পবোদ্ধা ও সংস্কৃতিকর্মীদের জন্য একটি বৃহৎ সম্মিলনে পরিণত হবে।
তিনি বলেন, ‘দেশের সাধারণ শিল্পপ্রেমীদের সামনে শিল্পকর্ম তুলে ধরার পাশাপাশি দেশি-বিদেশি শিল্পীদের মধ্যে চিন্তার আদান-প্রদানের সুযোগ করে দেবে এই আয়োজন। এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে বলে আমি মনে করি।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল শনিবার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হতে যাওয়া ‘১৮তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী বাংলাদেশ ২০১৮’ উপলক্ষে আজ শুক্রবার এক বাণীতে এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে মাসব্যাপী ‘দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী বাংলাদেশ ২০১৮’-এর ১৮তম আসর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।’
‘প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে’- উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ২০০৯ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে দেশের শিল্পকলা ও সংস্কৃতি উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছি। শিল্পকলা একাডেমি শিল্পকলা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য চর্চার প্রগতিশীল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে।’
তিনি বলেন, ঐতিহ্যবাহী দেশজ সংস্কৃতির চর্চা, বিকাশ, প্রসার ও সংরক্ষণের লক্ষ্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় নাট্যশালা ও জাতীয় চিত্রশালা প্রতিষ্ঠা করেছি, যা দেশের নাট্য ও চিত্রকলা আন্দোলনে প্রাণ সঞ্চার করেছে। এরপর আমরা সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নেই। সকল উদ্যোগ আজ সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে।’
তিনি ১৮তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী বাংলাদেশ ২০১৮-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।