জঙ্গিদের ক্ষমতার বাইরে রাখলে গণতন্ত্রের কমতি হয়না তথ্যমন্ত্রী

40
image_printPrint

ঢাকা, ১৫ এপ্রিল, ২০১৮ (বাসস) : তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘মৌলবাদী, জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের ক্ষমতার বাইরে রাখলে গণতন্ত্রের কমতি হয়না, বরং প্রাপ্তি ঘটে।
সচিবালয়ে আজ তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সফররত বিশ্বের ১০টি দেশের ২৭ জন সাংবাদিকের সাথে মত বিনিময়কালে মন্ত্রী বলেন, ‘চমৎকার উন্নয়নের মধ্যেও সাম্প্রদায়িক-সন্ত্রাসীদের দমনকে যারা গণতন্ত্রের কমতি বলে মনে করে, তারা বিভ্রান্তিতে রয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মোড়বদলকারী অর্থনৈতিক নীতি অনুসরণ ও সংবিধানের চার নীতির ওপর শক্ত অবস্থানই বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিস্ময়কর উন্নয়নের এ পথে সবচেয়ে বড় বাধা ছিল সাম্প্রদায়িক অপশক্তি, খালেদা জিয়া ও বিএনপি চক্র। জঙ্গিবাদের বিরূদ্ধে সরকারের দৃঢ় অবস্থান সেই বাধা অতিক্রম করতে সাহায্য করেছে।’
তিনি বলেন, ‘একথা সত্য যে, অনভিপ্রেত এসব বাধা-বিপত্তি না থাকলে দেশের আরো দ্রুত উন্নয়ন সম্ভব’।
হাসানুল হক ইনু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন, পঁচাত্তর সালে বিপথগামী সামরিক চক্রের হাতে বঙ্গবন্ধুর নিহত হওয়া এবং পরবর্তী সামরিক-স্বৈরশাসনকালে অপরাধীদের বিচার থেকে অব্যাহতি দেবার কুপ্রথা থেকে বেরিয়ে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের বিচারের সংস্কৃতি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংক্ষিপ্ত বিবরণ সফররত সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন। সেইসাথে টেকসই উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনীতিতে সামাজিক নিরাপত্তাজাল প্রবর্তনসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সফল প্রয়োগের মাধ্যমে দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরের যাত্রারও তিনি বর্ণনা দেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘ভিজিট বাংলাদেশ’ কর্মসূচির আওতায় ১৪ থেকে ১৯ এপ্রিল বাংলাদেশ সফররত সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছে কানাডার কলিন রবার্টসন, কোরিয়ার মিনহিউং লি এবং সেহওয়ান পার্ক, জার্মানীর কেভিন পিটার হোফম্যান, বার্ন্ট হেলজি বার্গার এবং ক্লডিয়া এ্যাসট্রিড সোলকেন, ফ্রান্সের লিডিয়া বেন ইজহাম, ইথিওপিয়ার ব্রু ইহুনবিলে মেনজিসটু, আবেত গ্রুম, আটো ক্রিসটিয়ান এবং মুলুকেন ইয়েওন্ডোসেন কিফলে, ব্রাজিলের মার্সিয়া হেলেনা গনকালভেস রোলেমবার্গ, ফাবিয়ানা কুইরোজ মেনডেস সেবান এবং জুলিয়ানো দ্যা সিলভা কর্টিনবাস। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতের দিবাদীপ পুরোহিত, দেবদূত ঘোষঠাকুর, অমল সরকার, প্রিয়াংকা দাসগুপ্ত, ভিনীতা পান্ডে, গৌতম লাহিড়ী, ফিলিপাইনের বাডি ও’ কুনানান, তুরস্কের সেইমা নাজলি গুর্বুজ, ইউসুফ সেমান ইনাঙ্ক, ড. নাজমি আগিল, ফারুক টোকাট ও আহমেদ কসকুনেইডিন ও থাইল্যান্ডের এরিক পারপার্ট এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুলতান মাহমুদ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিঃপ্রচার অনুবিভাগের মহাপরিচালক এম দেলোয়ার হোসেনসহ তথ্য ও পররাষ্ট্র দু’মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সভায় যোগ দেন।