জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে বৈসাবি এক মূর্ত প্রতিবাদ : ইনু

75

ঢাকা, ১২ এপ্রিল, ২০১৮ (বাসস) : তথ্যমন্ত্রী ও জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে বৈসাবি এক মূর্ত প্রতিবাদ।’
তিনি আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত বৈসাবি শোভাযাত্রা ও জলে পুষ্পাঞ্জলি ভাসানো অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন।
বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রোজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবেও উল্লেখ করেন ইনু।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বৈশাখ, সাংগ্রাই ও বিজু এ তিনের সমন্বয়ে বৈসাবি উৎসব এদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক। জাত-পাত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সার্বজনীন এ উৎসব সকলের প্রাণে আনন্দ সঞ্চার করে চলেছে।’
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নূরুল আমীন ও মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
পরে মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে শুরু করে বৈসাবি শোভাযাত্রা জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় গিয়ে সেখানে সংসদ ভবন বেষ্টনকারী জলাধারে পুষ্পাঞ্জলি ভাসানোর মাধ্যমে দিবসটির বৈসাবি উৎসবের সূচনা করা হয়।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি মেলবন্ধনের চাবিকাঠি : তথ্যমন্ত্রী হাসানুর হক ইনু বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বাংলা ভাষাভাষী জনগণের মেলবন্ধনের চাবিকাঠি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয় তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিশ্ববঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি একথা বলেন।
সংসদ সদস্য সৈয়দ রেজাউল করিম তানসেন এসময় উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রদায়িক অপশক্তি বাংলা ভাষাভাষির সংস্কৃতি ও শিল্প সাহিত্যকে একটি ভিন্ন ধারায় নেয়ার অপচেষ্টা করছে। কিন্তু চার হাজার বছরের বাঙালি সভ্যতায় বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ যে নতুন শক্তি যুগিয়েছে, তা সেই অপচেষ্টাকে নস্যাৎ করে দিতে যথেষ্ট। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উৎকর্ষ সাধনে বিশ্ববঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন গুরুত্ববহ ভূমিকা রাখবে বলেও হাসানুল হক ইনু আশা প্রকাশ করেন ।
ভারতের বিশ্ববঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক শ্রী রাধাকান্ত সরকার, আনন্দবাজার পত্রিকার সাংবাদিক শ্রী সুকুমার রুজ, শ্রীমতি অর্চনা বসু ও শ্রীমতি কুমকুম সেন গুপ্ত, অভিনেত্রী, কবি ও চলচ্চিত্র প্রযোজক শ্রীমতি কেয়া বসাক প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

image_printPrint