যুক্তরাজ্যে অক্সফোর্ডের টিকা ব্যবহারের অনুমোদন

160

লন্ডন, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০ (বাসস ডেস্ক) : যুক্তরাজ্য অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনকার করোনা টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। বুধবার দেশটি এ অনুমোদন দেয়। ব্রিটেনই বিশে^ প্রথম এ টিকার অনুমোদন দিল।
ব্রিটিশ সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশটির ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা মেডিসিনস অ্যান্ড হেলথকেয়ার রেগুলেটরি এজেন্সি (এমএইচআরএ) এ টিকা দেশটিতে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে। গত ২৩ ডিসেম্বর এ টিকার অনুমোদন চেয়ে আবেদন করা হয়।
ব্রিটেনে আগামী ৪ জানুয়ারি থেকে এ টিকা দেয়ার কার্যক্রম শুরু হবে।
ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হেনকক টুইটারে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, আশার মধ্যদিয়ে ২০২০ সাল শেষ হচ্ছে।
ব্রিটেনে সম্প্রতি নতুন ধরনের করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটিতে মঙ্গলবার আক্রান্ত হয়েছে ৫৩ হাজার ১৩৫ জন।
দেশটির স্বাস্থ্য ও সমাজ কল্যাণ বিভাগের একজন মুখপাত্র জানান, ব্যাপক ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ও তথ্য পর্যালোচনা শেষে এমএইচআরএ এ অনুমোদন দিয়েছে। এমএইচআরএর এ অনুমোদনের অর্থ হলো অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনকার করোনার টিকা নিরাপদ ও কার্যকর।
এদিকে ফাইজার-বায়োএনটেকের তুলনায় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনকার টিকা সংরক্ষণ, পরিবহন ও প্রদান অনেক বেশি সহজ হবে।
কার ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হয়। অন্যদিকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনকার টিকা সাধারণ রেফ্রিজারেটরেই সংরক্ষণ করা যাবে।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভাবিত করোনার টিকা উৎপাদন করছে ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রাজেনকা।
ব্রিটিশ সরকার এ টিকার ১০ কোটি ডোজের আগাম অর্ডার করে রেখেছে। এর মধ্যে চার কোটি ডোজ মার্চের শেষ নাগাদ পাওয়া যাবে।
ফাইজারের মতো অক্সফোর্ডের টিকারও দুটি করে ডোজ নিতে হবে। ফাইজারের ক্ষেত্রে দুই ডোজের মধ্যে ব্যবধান তিন সপ্তাহ। আর অক্সফোর্ডের ক্ষেত্রে এই ব্যবধান চার সপ্তাহ।
এদিকে অ্যাস্ট্রাজেনকার প্রধান নির্বাহী পাসকেল সোরিয়ট বলেছেন, মারাত্মক কোভিড রোগের বিরুদ্ধে এই টিকা শতভাগ সুরক্ষা দেবে।