থ্রিআর ফোরামে যোগ দিতে আগামীকাল ভারত যাচ্ছেন আমু

41
image_printPrint

ঢাকা, ৭ এপ্রিল,২০১৮ (বাসস) : শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক থ্রিআর ফোরামের সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন।
ভারতের মধ্য প্রদেশের ব্রিলিয়ান্ট কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিতব্য এ সম্মেলনে যোগ দিতে শিল্পমন্ত্রী আগামীকাল সকালে ভারতের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।
আগামী সোমবার থেকে থ্রিআর ফোরামের বৈঠক শুরু হচ্ছে। চার দিনব্যাপী এ বৈঠক আগামী ১২ এপ্রিল শেষ হবে।
ভারতের গৃহায়ন ও শহর বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাপানের পরিবেশ মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘের আঞ্চলিক উন্নয়ন কেন্দ্রের (ইউএনসিআরডি) যৌথভাবে এ ফোরামের বৈঠকের আয়োজন করেছে।
আজ শনিবার শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
এতে বলা হয়,উচ্চ পর্যায়ের এ ফোরামে বিশ্বের ৪১টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। তারা এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য একবিংশ শতাব্দীতে নির্মল বায়ু, বিশুদ্ধ পানি ও ভূমিধ্বংস প্রতিরোধে পরিবেশ সংরক্ষণের অন্যতম মৌলিক ধারণা থ্রিআর প্রয়োগের কৌশল নিয়ে আলোচনা করবেন। একই সাথে তারা গত বছর অস্ট্রেলিয়ার এডেলেইড কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত থ্রিআর সম্মেলনের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন।
উল্লেখ্য, থ্রিআর কৌশল হচ্ছে কল-কারখানায় বর্জ্য ও কাঁচামালের অপচয় হ্রাস, বর্জ্য পুনর্ব্যবহার এবং বর্জ্য পুনরায় ব্যবহারের জন্য পুন:প্রক্রিয়াকরণের কৌশল। এর মাধ্যমে উৎপাদনমুখী কর্মকান্ডে প্রাকৃতিক সম্পদ পানি, বায়ু ও মাটির পরিমিত ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব। এ কৌশল বিশ্বব্যাপী উৎপাদন প্রক্রিয়ায় পরিবেশবান্ধব সবুজ জ্বালানি ও প্রযুক্তির ব্যবহার জনপ্রিয় করছে। এর ফলে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর শিল্প-কারখানায় কাঁচামাল অপচয়রোধ এবং পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে শিল্পবর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া বেগবান হচ্ছে।
ফোরামে শিল্পমন্ত্রী পরিবেশবান্ধব সবুজ শিল্পায়নের ধারা জোরদারে বাংলাদেশ সরকার গৃহীত সাম্প্রতিক উদ্যোগ সম্পর্কে তুলে ধরবেন।
তিনি বাংলাদেশের শিল্প কারখানায় বর্জ্য পরিশোধন, সবুজ প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং নবায়ণযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদনের প্রচেষ্টা ও সাফল্য সম্পর্কে আলোকপাত করবেন। এতে অংশগ্রহণের ফলে বাংলাদেশের কল-কারখানার বর্জ্য হ্রাস, বর্জ্য পরিশোধন ও পুনর্ব্যবহারের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী অনুসৃত কৌশল এবং ব্যবহৃত সবুজ প্রযুক্তির স্থানান্তরের প্রয়াস জোরদার হবে বলে বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আগামী ১৩ এপ্রিল শিল্পমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।