বল টেম্পারিংয়ের শাস্তি পর্যালোচনা করছে আইসিসি

46
image_printPrint

লন্ডন, ২৯ মার্চ, ২০১৮(বাসস/এএফপি) : বল টেম্পারিংয়ের শাস্তি পর্যালোচনা করছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া দলের বল টেম্পারিংয়ের ঘটনার পর এ পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ব ক্রিকেটের নির্বাহি সংস্থা।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তৃতীয় টেস্ট বল টেম্পারিং করায় স্টিভ স্মিথও ডেভিড ওয়ার্নারকে এক বছর আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেটে নিষিদ্ধ করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া(সিএ)। এ ছাড়া ওপেনিং ব্যাটসসম্যান ক্যামেরন ব্যানক্রফটকে নিষিদ্ধ করেছে নয় মাসের জন্য।
বিদ্যমান আরচরণ বিধি অনুযায়ী বল টেম্পারিংয়ের অপরাধে কোন খেলোয়াড়কে ম্যাচ ফি’র শতভাগ জরিমানা ও এক ম্যাচের বেশি নিষিদ্ধ করতে পারে না আইসিসি। কিন্ত ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এ তুলনায় অনেক বেশি শাস্তি দিয়েছে তিন খেলোয়াড়কে।
আইসিসি প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন বলেন, ‘আমরা অনুধাবন করতে পারছি যে, কেবল অস্ট্রেলিয়া নয় পুরো ক্রিকেট বিশ্বই বল টেম্পারিংয়ের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে।এটাই ক্রিকেটের স্পিরিট।’
‘আমি অবশ্যই স্বীকার করছি, ব্যক্তিগতভাবে এটা আমার চোখ খুলে দিয়েছে। দেয়া শাস্তি বিশেষ করে বল টেম্পারিংয়ের বিষয়ে আমাদের দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন।’
‘পুরো বিশ্বেই বল টেম্পারিং প্রতারণা হিসেবে বিবেচনা করা হয়.. আমি মনে করছি বিষয়টি নিয়ে আমাদের আবারো চিন্তা করা উচিত এবং এ থেকেই পর্যালোচনার বিষয়টি আসছে।’
পুরো বিশ্বের প্রতিক্রিয়া অনিল কুম্বলে,এ্যালারন বোর্ডার, শন পোলক এবং কোর্ট ওয়ালশের মত বরেণ্য সাবেক খেলোয়াড়দের সামনে সিদ্ধান্ত নিতে একটা সুযোগ হিসেবে এবং দর্শকরা কিভাবে খেলাটি দেখতে চায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে কাজ করবে।
তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী প্রতিক্রিয়ায় দেখা যায় যে, এভাবে যদি আমরা খেলাটি খেলি তবে ক্রিকেটকে বিপদে ফেলতে পারি।’
দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ক্রিকেটার রিচার্ডসন বলেন, স্পাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ক্রিকেটে খারপ আচরণের কারণে হতাশাজনক শ্লীনতাহানির ঘটনা, কুরুচিপূর্ণ ভাষা এবং বল টেম্পারিংয়ের ঘটনা ঘটেছে।
তিনি বলেন, ‘বোর্ডের পূর্ণ সমর্থন দিয়ে আমরা খেলোয়াড়দের আচরণে বেশ কিছু বিষয় পর্যালোচনা করব এবং বিশেষ করে স্পিরিটি যেভাবে খেলা হয়ে থাকে।
‘আমরা আশা করছি এ পর্যালোচনার মাধ্যমে সঠিক পদ্ধতিতে খেলাটি খেলতে এর স্বার্বজনীন সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাবে।’
‘আমরা চাই সদস্য দেশগুলো তাদের খেলোয়াড়দের আচরণের জন্য আরো জবাব দিহিতা ও এর জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করবে। শুধু অস্ট্রেলিয়া নয় সব দলের জন্যই এটা প্রযোজ্য।’