কাল বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপের ফাইনাল

45
image_printPrint

ঢাকা, ২৭ মার্চ, ২০১৮ (বাসস) : প্রাথমিক স্কুলের ছেলে ও মেয়েদের অংশগ্রহণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচ আগামীকাল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দুপুর ১.৩০টায় শুরু হবে ছেলেদের বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের ফাইনাল ম্যাচ। বিকেল ৩.৩০ টায় শুরু হবে মেয়েদের অংশগ্রহণে বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ। ফাইনাল শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুটি খেলাই সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন।
সারা দেশের প্রথমিক বিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত দেশের সর্ববৃহৎ এই দুটি টুর্নামেন্টের ফাইনালকে সামনে রেখে পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রাস্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, ‘শিশুদের শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও নৈতিক বিকাশ শুরু হয় প্রাথমিক শিক্ষা স্তর থেকে। আর শিশুর সুস্থ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে খেলাধুলা।
খেলাধুলা শিশুদের মাঝে প্রতিযোগিতার মনোভাব এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও দায়িত্ববোধ তৈরী করে। এই উপলব্ধি থেকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১০ সাল থেকে স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট’ এবং ২০১১ সাল থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রেরণাদাত্রী তার সহধর্মীনির নামে ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট প্রবর্তন করেছে।’
রাষ্ট্রপতি বলেন, এ টুর্ণামেন্টে অংশগ্রহণের মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জাতির পিতা এবং বঙ্গমাতার জীবন ও কর্ম সম্পর্কে আরো অবহিত হওয়ার সুযোগ পাবে এবং তাদের জীবনাদর্শ অনুসরণ করে সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠবে।
বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট বাংলাদেশে ক্ষুদে ফুটবলার তৈরির ক্ষেত্রে অনন্য ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, ‘এই দুটি টুর্নামেন্ট প্রথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের মধ্যে শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি শৃঙ্খলাবোধ অধ্যবসায়, দায়িত্বজ্ঞান, কর্তব্যপরায়ণতা, সহনশীলতা শিখাতে পারে। শিশু-কিশোরদের মাঝে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটে।’
তিনি বলেন, ‘এই টুর্ণামেন্টের মাধ্যমে কোমলমতি শিশুরা দেশের প্রতি বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতার ভালবাসা ও আত্মত্যাগ সম্পর্কে জানতে পারবে। তাদের জীবনাদর্শে উজ্জীবিত হয়ে শিশুরা নিজেদের আত্মপ্রত্যয়ী করে গড়ে তুলবে। তৈরী হবে জয়-পরাজয় মেনে নেয়ার মানসিকতা। যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবে। ’