মেহেরপুরে ম্যাঙ্গো ব্যানানা আম

486

মেহেরপুর, ১৯ জুন, ২০১৮ (বাসস) : ব্যানানা ম্যাঙ্গোর আদি নিবাস থাইল্যান্ড। ২০১৪ সালে মেহেরপুরের বারাদি হর্ট্টিকালচার সেন্টারের তৎকালীন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সঞ্চয় কুমার কয়ালদার এ আমের জাত মেহেরপুরে নিয়ে আসেন। বর্তমানে মেহেরপুরের বিভিন্ন বাড়ির আঙ্গিনায় শোভা পাচ্ছে ম্যাঙ্গো ব্যানানা জাতের আম।
আগামী দু‘চার বছরের মধ্যে জেলায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে এ আমচাষ করা হবে বলে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্মকর্তা জানান। এ আমটি স্বাদ, গন্ধ এবং সময় বিবেচনায় খুব আশাব্যঞ্জক। এছাড়া এটি নাবি জাতের এবং বিদেশে রপ্তানি-যোগ্য হওয়ায় এর বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে প্রচুর।
বাড়ির ছাদে ম্যাঙ্গো ব্যানানা চাষ করা হাজি একরামুল হক জানান, ২০১৫ সালে তিনি জেলার বারাদি হর্ট্টিকালচার সেন্টার থেকে দুটি চারা নিয়ে আসেন। পরের বছর থেকে টবে লাগানো একেকটি গাছে আগস্টের দিকে ৪০ থেকে ৫০টি করে আম পাচ্ছেন।
মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. আখতারুজ্জামান জানান, নাবি জাতের এ আমের আকার কলার মতো লম্বা হওয়ার জন্য মূলত একে ‘ব্যানানা’ আম বলা হয়। এটি দেখতে আর্কষণীয়, স্বাদে ও গন্ধে অনন্য। এটি পাকলে কমলা হলুদ হয়। এছাড়া আমটির চাষ পদ্ধতি সহজ । একে যে কোন স্থানে যেমন ছাদে, পতিত জায়গায়, বাড়ির আশপাশে চাষ করা যায়। এছাড়া আমটি লেট ভ্যারাটি নামেও পরিচিতি পেয়েছে। কারণ আমটি জুলাই আগস্টে পাকে।
বর্তমানে জেলা কৃষি বিভাগ এবং বারাদি হর্ট্টিকালচার সেন্টার এ পর্যন্ত হাজার তিনেক চারা বিতরণ করেছে। আগামী বছর চারেকের মধ্যে এ আমটির চাষ আরও সম্প্রসারিত হয়ে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ হবে। আগস্ট মাস আমের দুষ্প্রাপ্যতার মাস। এ সময় আমটি পাকার কারণে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে চাষি।

image_printPrint