মধ্যপ্রাচ্যে কাঁচা মরিচ রপ্তানি হচ্ছে

200

মানিকগঞ্জ, ১৫ জুন, ২০১৯ (বাসস ডেস্ক) : মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে সবজি রপ্তানি হচ্ছে। এর প্রেক্ষিতে মানিকগঞ্জে কাঁচা মরিচের চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে।
জেলার তিনটি উপজেলা শিবালয়, হরিরামপুর ও ঘিওরে মূলত কাঁচা মরিচের চাষাবাদ হয়। চলতি মৌসুমে জেলায় মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষকরা তাদের পণ্যের ন্যায্যমূল্য পেয়ে খুব খুশি।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) জানিয়েছে, বারাঙ্গালি হাট থেকে কয়েকটি রপ্তানি সংস্থার মাধ্যমে প্রতিদিন সৌদি আরব, দুবাই ও কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে বিপুল পরিমাণ কাঁচা মরিচ রপ্তানি হচ্ছে।
মানিকগঞ্জ জেলায় সফরকালে কয়েকশ কৃষককে বারাঙ্গারী হাটে তাদের উৎপাদিত কাঁচা মরিচ বিক্রি করতে দেখা গেছে।
মানিকগঞ্জ গিয়ে দেখা যায়, উৎপাদনকারীদের কয়েকটি দল রপ্তানির জন্য কাঁচা মরিচের কার্টনগুলো স্তূপ করে রেখেছে।
তাজুদ্দিন এন্টারপ্রাইজের পরিচালক তাজুদ্দিন বলেন, তিনি ২০ বছরের বেশি সময় ধরে কাঁচা মরিচের চাষ করছেন। বিগত কয়েক বছর ধরে কয়েকজন কাঁচা মরিচ ব্যবসায়ী মধ্যপ্রাচ্যসহ বিদেশে কাঁচামরিচ রপ্তানি করছেন।
তিনি বরেন, গুণগত মানের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের কাঁচা মরিচের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
তাজুদ্দিনের মতো জহুরুল হক, মোফাজ্জল হোসেন ও শফি মিয়াও মধ্যপ্রাচ্যে সবজি রপ্তানি করছেন।
বেশ কয়েকজন মধ্যসত্ত্বভোগী মরিচের মৌসুমি ব্যবসার মাধ্যমে ভাল মুনাফা করে থাকে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
ডিএই’র সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে জেলার সাতটি উপজেলার মোট ৩ হাজার ৪৬৯ হেক্টর জমিকে মরিচ চাষের আওতায় আনা হয়েছে। এ মৌসুমে ২৭ হাজার৭৫২ মেট্রিক টন মরিচ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

image_printPrint