চাঁদপুরে শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগ ২৯৬ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে

69

চাঁদপুর , ১৬ এপ্রিল, ২০১৯ (বাসস) : জেলায় চলতি ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগ ২৯৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ টি বড় ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
চাঁদপুর জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর স্থানীয় এমপিদের ডিও (ডিমান্ড অব অর্ডার) লেটারের ভিত্তিতে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে ।
চাঁদপুরের শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় সূুত্রে জানা যায়, চাঁদপুর জেলার ৮ উপজেলায় ৩ টি বৃহৎ প্রকল্প চলতি ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের শুরুতেই শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগ গ্রহণ করেছে। এতে ২৯৬ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, ‘ নির্বাচিত বে-সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সমূহের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীন চাঁদপুরের নির্বাচনী এলাকার নির্বাচিত সংসদ সদস্যগণের সুপারিশক্রমে ১০টি করে বে-সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪তলা বিশিষ্ট নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ হবে। এতে প্রতিটির প্রাক্কলিত ব্যয় হচ্ছে ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। তবে বালিকাদের স্কুল ভবন হলে ব্যয় হবে ২ কোটি ৫১ লাখ টাকা। এ প্রকল্পে মোট ব্যয় হবে ১৪৪ কোটি টাকা। যা চলতি বছরের জুনে সম্পন্ন হবে।
‘নির্বাচিত বে-সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সমুহের ঊর্ধমুখী সম্প্রসারণ ’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীন চাঁদপুরের নির্বাচনী এলাকার নির্বাচিত সংসদ সদস্যগণের সুপারিশক্রমে ১০টি করে বে-সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২ থেকে ৪তলা বা ২ থেকে ৩ তলা বিশিষ্ট নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ হচ্ছে। এতে প্রতিটির প্রাক্কলিত ব্যয় হচ্ছে ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এর ৫০টির মধ্যে এ বছর ৩২ টির কাজ সম্পন্ন হবে। এ প্রকল্পে মোট ব্যয় হবে ৬২ কোটি টাকা। যা চলতি বছরের জুনে সম্পন্ন হবে।
‘ নির্বাচিত বে-সরকারি মাদ্রাসা সমূহের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীন চাঁদপুরের নির্বাচনী এলাকার নির্বাচিত সংসদ সদস্যগণের সুপারিশক্রমে ৬ টি করে বে-সরকারি মাদ্রাসার নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ হবে। এতে প্রতিটির প্রাক্কলিত ব্যয় হচ্ছে ৩ কোটি টাকা। এ প্রকল্পে মোট ব্যয় হবে ৯০ কোটি টাকা। যার কাজ ও চলতি জুনে সম্পন্ন হবে।
এদিকে নির্বাচিত সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সমূহের উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীন চাঁদপুরের ৭ টি সরকারি ও ৩ টি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় গত অর্থবছর ও চলতি অর্থবছর প্রতিটি ৬ লাখ টাকায় ১০ টি শহীদ মিনার চাঁদপুরের শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় নির্মাণ করেছে।
চাঁদপুর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-প্রকৌশলী স্বপন কুমার সাহা জানান,‘এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে জেলার শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি পরিবর্তন সূচিত হবে। ভবনগুলো লেখাপড়ার মানন্নোয়নে যথেষ্ঠ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। শিক্ষার্থীদের সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশে লেখাপড়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
‘ প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষকগণ পাঠদানে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। সরকারের ‘রূপকল্প ২০২১’ ও ‘শিক্ষানীতি ২০১০’ বাস্তবায়নে ‘মানসম্মত শিক্ষার চ্যালেঞ্জ’ মোকাবেলায় ওই প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে থাকবে। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় শিক্ষার মানোন্নয়নে নির্বাচিত বেসরকারি ঐ ভবনগুলো সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারবে।’

image_printPrint