বাসস দেশ-৪৪ : বজলুর রহমান ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জ্বীবিত আদর্শবান একজন সাংবাদিক : স্পিকার

278

বাসস দেশ-৪৪
বজলুর রহমান-পদক-অনুষ্ঠান
বজলুর রহমান ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জ্বীবিত আদর্শবান একজন সাংবাদিক : স্পিকার
ঢাকা, ১১ এপ্রিল, ২০১৯ (বাসস) : বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বজলুর রহমান ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জ্বীবিত আদর্শবান একজন সাংবাদিক। দেশবরেণ্য খ্যাতনামা এই সাংবাদিক ‘দৈনিক সংবাদ’-এর সম্পাদক হিসেবে আমৃত্যু গণমাধ্যমের প্রচার ও প্রসারে কাজ করে গেছেন।
আজ আগারগাঁওস্থ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে বজলুর রহমান স্মৃতিপদক ২০১৮ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আ. আ. ম. স. আরেফিন সিদ্দীকির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পদক প্রদান অনুষ্ঠানে স্পিকারের কাছ থেকে কালের কন্ঠের যশোর প্রতিনিধি ফখরে আলম প্রিন্ট মিডিয়ায় এবং একাত্তর টিভির সাংবাদিক শিল্পী মহলা নবিশ ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় এ পদক গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ডা: সারোয়ার আলী এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি রবিউল হোসাইন।
শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, প্রয়াত বজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জ্বীবিত থেকে আমৃত্যু গণমাধ্যমের প্রচার ও প্রসারে কাজ করে গেছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে দেশের গণমাধ্যমসমূহ যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে তারই স্বীকৃতিস্বরূপ পরিশ্রমী, সাহসী ও নিবেদিত প্রাণ সাংবাদিক ও নির্মাতাদের বজলুর রহমান স্মৃতিপদক প্রদানের উদ্যোগ আদর্শবান সাংবাদিকতার বিকাশে বিরাট অবদান রাখবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
স্পিকার বলেন, মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক বজলুর রহমান আন্দোলন সংগ্রামে ছিলেন একজন অগ্রসৈনিক। তিনি ছিলেন সৎ, নির্ভীক এবং দৃঢ় চেতা সাংবাদিক। ইতিহাস, সাহিত্য ও দর্শন সকল ক্ষেত্রেই তাঁর ছিল সরব পদচারণা।
তিনি বলেন, সংস্কৃতিমনা সাংবাদিক বজলুর রহমানের কর্মদক্ষতা ও স্বদেশপ্রেম সাংবাদিকতার গন্ডি ছাড়িয়ে তাঁকে প্রতিষ্ঠিত করেছে অনন্য উচ্চতায়।
তিনি বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা এবং গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে তাঁর লেখনী চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল, সৎ ও যোগ্য সাংবাদিক তৈরিতে বজলুর রহমানের আদর্শ সাংবাদিক সমাজকে অনুপ্রাণিত করবে।
সাংবাদিক ও নির্মাতাদের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ ও প্রচারের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের অসংখ্য গৌরবগাঁথা ইতিহাস প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে বজলুর রহমানের আদর্শকে স্মরণীয় রাখতে হবে।
বাসস/সবি/এমএআর/২১৩৫/-জেহক