যশোর শিক্ষাবোর্ডে ১ লাখ ২৮ হাজার ৮০৯ পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিবে

178

যশোর, ৩১ মার্চ, ২০১৯ (বাসস) : যশোর শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এ বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় মোট ১ লাখ ২৮ হাজার ৮০৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিবে। যা গত বছরের চেয়ে ৬ হাজার ৬৩৩ জন বেশি। গত বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ২২ হাজার ১৭৬ জন। দেশের অন্যান্য শিক্ষাবোর্ডের মতো আগামীকাল সোমবার (১ এপ্রিল) থেকে যশোর শিক্ষাবোর্ডেও এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। এ শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ১০ জেলার ৫৮৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬৬ হাজার ৫২৬ জন ছাত্র এবং ৬২ হাজার ২৮৩ জন ছাত্রী এ পরীক্ষায় অংশ নিবে এবং ২২৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
জেলাগুলো হচ্ছে- যশোর, নড়াইল, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট।
যশোর শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এ বছর যশোর জেলায় ২২ হাজার ৭৮৯ জন,নড়াইলে ৬ হাজার ২০২ জন, ঝিনাইদহে ১৮ হাজার ১৫২ জন,মাগুরায় ৭ হাজার ৬৪৫ জন, কুষ্টিয়ায় ১৩ হাজার ৫৫৮ জন, মেহেরপুরে ৫ হাজার ১২ জন, চুয়াডাঙ্গায় ৭ হাজার ৯৫৯ জন, সাতক্ষীরায় ১৪ হাজার ৩৮০ জন, খুলনায় ২৪ হাজার ৩৪৩ জন ও বাগেরহাট জেলায় ৮ হাজার ৭৬৯ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। এ ১০ জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি এইচএসসি পরীক্ষার্থী রয়েছে খুলনা জেলায় এবং কম পরীক্ষার্থী রয়েছে মেহেরপুর জেলায়।
যশোর শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আব্দুল আলীম বলেন, ২২৪টি এইচএসসি কেন্দ্রের জন্য ২২৪ জন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে ইতোমধ্যে বোর্ড কর্তৃপক্ষ মতবিনিময় করেছে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণে বোর্ডের অধীন ১০ জেলার পরীক্ষা কেন্দ্রের জন্য ভিজিলেন্স টিমও গঠন করা হয়েছে।
যশোর শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র জানান, বোর্ড কর্তৃপক্ষ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত এবং পরীক্ষাকেন্দ্রগুলো নকলমুক্ত করার জন্য সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।কোন শিক্ষার্থী, কক্ষ পরিদর্শক বা পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কেউ নিয়ম-শৃংখলা ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সরকারের প্রতিশ্রুতি সফল করার জন্য বোর্ড কর্র্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
নড়াইলের আমাদা আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ মো. আল ফয়সাল খান বাসসকে বলেন, পরীক্ষায় যে কোন ধরনের অসদুপায় অবলম্বন থেকে বিরত থাকার জন্য আমরা পরীক্ষার্থীদেরকে উদ্বুদ্ধ করেছি।

image_printPrint